গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বিআর গবাইয়ের দিকে ‘জুতো’ নিক্ষেপ করেন রাকেশ কিশোর নামে এক আইনজীবী। নিরাপত্তা রক্ষীরা আইনজীবীকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেন। তিন ঘণ্টা জেরা করার পর সেইদিনই অবশ্য তাঁকে ছেড়ে দিয়েছিল পুলিশ। সুপ্রিম কোর্ট থেকে কোনও রকম অভিযোগ না পাওয়ার কারণেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। সেই দিনই তাঁর ওকালতির লাইসেন্স সাসপেন্ড করে দেয় বার কাউন্সিল। বৃহস্পতিবার রাকেশের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর বিধান সৌধ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষার জন্যই তিনি এই অভিযোগ জানিয়েছেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশের বিরুদ্ধে ‘জ়িরো এফআইআর’ রুজু করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।
সুপ্রিম কোর্টের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই বলেন, প্রধান বিচারপতির দিকে জুতো ছুড়ে মারার চেষ্টা করেছিলেন ওই ব্যক্তি। আবার কারও বক্তব্য, একটি কাগজের বান্ডিল ছুড়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতির উপর এমন আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সমাজে এই ধরনের নিন্দনীয় কাজের কোনও জায়গা নেই।’’ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত জঘন্য কাজ। কার্যত ভারতের সংবিধানের উপর হামলা।“ প্রায় একই সুরে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী প্রমুখ।





