সাতসকালে ফের বড়সড় অভিযানে নামল সিবিআই। ব্যাঙ্ক প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলায় আজ, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কলকাতার নিউ আলিপুর-সহ রাজ্যের মোট পাঁচটি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে চলছে এই অভিযান। জানা গিয়েছে, ইডির ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য এদিন তল্লাশি অভিযানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক প্রতারণায় বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট বেশ কিছু তথ্য হাতে পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে সিবিআই। সাতসকালে নিউ আলিপুরে এক ব্যবসারীর বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। এছাড়াও নিউ টাউন-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গাতে চলছে সিবিআই তল্লাশি। সিবিআই সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণার মাধ্যমে তোলা টাকা কোথায় ও কীভাবে সরানো হয়েছে, সেই আর্থিক লেনদেনের হদিস পেতেই সকাল থেকে এই অভিযান। মোট পাঁচটি আলাদা দল গঠন করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নথি, ডিজিটাল ডেটা এবং ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত, অতীতে দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছিল ইডি। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে কারণেই এদিন সিবিআই অভিযানে আগাম সতর্কতা হিসেবে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। যেসব জায়গায় তল্লাশি চলছে, সেখানেও অতিরিক্ত জওয়ানদের উপস্থিতি নজরে এসেছে। তল্লাশি এখনও পর্যন্ত চলছে। অভিযান শেষে কী কী নথি বা তথ্য উদ্ধার করা হয়, তার উপরই নির্ভর করবে তদন্তের পরবর্তী দিকনির্দেশ—এমনটাই হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।





