Header AD

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত এবং নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবে রাজ্য সরকার

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত এবং নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এ আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা রাজ্যের কথা জানান কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে। অন্য দিকে, আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভস্মীভূত ডেকরেটর্সের গুদামের মালিককে গ্রেপ্তার করে জেরা করছে পুলিশ। আনন্দপুরের মোমো কোম্পানির গুদামের লাগায়ো ছিল ওই ডেকরেটর্সের গুদামও। রবিবার রাত ৩টে নাগাদ জোড়া গুদামে আগুন লাগে। ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পর সেখানে পকেট ফায়ার দেখা গিয়েছে। কী ভাবে আগুন লাগল, সেখানে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা আদৌ ঠিকঠাক ছিল কি না—তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ডেকরেটর্স মালিকের নাম গঙ্গাধর দাস। রবিবার রাতে তাঁর ওই গুদামে অনেকেই ছিলেন। বিভিন্ন জেলা থেকে তাঁরা কাজে গিয়েছিলেন। আগুন লাগার পর থেকে তাঁদের অনেকেই নিখোঁজ। তাঁদের পরিবারের লোকেরা হন্যে হয়ে ঘুরছেন থানায়, হাসপাতালে, ঘটনাস্থলে। পুলিশ সূত্রে এখনও পর্যন্ত আট জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে আরও অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ প্রায় ২৫ জন। নিখোঁজদের খোঁজ চলছে। আদৌ তাঁরা বেঁচে আছেন কিনা, বেঁচে থাকলে কোথায় আছেন— তা জানা নেই। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানান, পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ‘‘আগুনটা খুব ভয়াবহ লেগেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।’’ অনেকে দাবি করেন, জলাজমি ভরাট করে এই সব গুদাম তৈরি হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে পুরমন্ত্রী বলেন, ‘‘২০০৬ সাল থেকে এটা চলছে।কারও রুটিরুজি বন্ধ করা ঠিক নয়। জলাজমি কি না, তা আমার জানা নেই।’’ তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পাশে থাকবে সরকার। ফিরহাদের কথায়, ‘‘পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় পাঠিয়েছেন।’’