ফের রুফটপ রেস্তরাঁর হাল বুঝতে কোমর বেঁধে নামছে পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন। উৎসব মরশুম শেষ হলেই শুরু হবে রাজ্য জুড়ে সমীক্ষা। দপ্তরের কর্তাদের অভিমত, এসওপি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর প্রায় তিন মাস হয়ে গেল। আর দেরি করা যাবে না। সরকারি নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করতেই হবে। আগামী সপ্তাহে নবান্নের সঙ্গে আলোচনা করে জেলাগুলির থেকে রুফটপ রেস্তরাঁর তথ্য নেওয়া হবে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের এক কর্তার কথায়, “এখন পঞ্চায়েত এলাকায় হোটেল, রেস্তরাঁ তৈরি হচ্ছে। স্বাভাবিক নিয়মেই রুফটপ রেস্তরাঁও তৈরি যে হচ্ছে না এমনটা সমীক্ষা না করে বলার জায়গায় নেই। তাই সব জেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সব তথ্য যাচাই করে পুরসভা বা পঞ্চায়েত লাইসেন্স দেবে। পাশাপাশি দোকানে আচমকা ভিজিত চলবে।“
কেএমডিএ সূত্রে খবর, নিউটাউন, রাজারহাট, সল্টলেক, লেকটাউন এলাকায় অধিকাংশ বহুতলের ছাদে রেস্তরাঁ চলে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট থেকে এই তথ্য পেয়েই পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর বিধাননগর কর্পোরেশনকে বিষয়টি জানায়। এরপরেই ঠিক হয় নিরাপত্তার স্বার্থে ১৯-২৩ তারিখ পর্যন্ত সন্ধ্যা ছ’টার পর কোনও রুফটপ রেস্তরাঁ খোলা থাকবে না। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের এক কর্তার কথায়, “প্রথম দফায় সাতটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কয়েকটি জেলাকে আওতায় আনা হবে। ক্রমশ রাজ্যের সব পুর ও পঞ্চায়েত এলাকায় নিয়ম বলবৎ হবে।” ওই আধিকারিকের কথায়, কলকাতায় ৮২টি রুফটপ রেস্তরাঁর মধ্যে মাত্র ২১টি মুচলেকা দিয়ে তিন মাসের জন্য খুলেছিল। বাকিগুলি কী অবস্থায় তা জানতে আগামী সপ্তাহে পুর লাইসেন্স, দমকল ও কলকাতা পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা পথে নামবে। অনেক সময় দেখা যায় লাইসেন্স নেওয়ার পর সরকারি নিয়মকে লঙ্ঘন করার প্রবণতা দেখা যায়। তাই ন্যূনতম বিচ্যুতি দেখলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





