Header AD
Trending

সাইবার নিরাপত্তা বাড়ানোর নামে আমজনতার ফোনে নজরদারি! ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ বিতর্কে পিছু হঠল কেন্দ্র

বিতর্কের জেরে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ ইস্যুতে পিছু হঠল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে মোবাইল সংস্থাগুলিকে জানানো হয়েছিল, প্রত্যেকটি স্মার্টফোনে সাইবার নিরাপত্তা অ্যাপ ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক। চাইলেও তা ডিলিট করতে পারবেন না গ্রাহকরা। এর পাশাপাশি বলা হয়, ৯০ দিনের মধ্যে যে সব স্মার্ট ফোন বাজারে নতুন করে আসবে, সেই সমস্ত স্মার্টফোনে এই অ্যাপটি ইনবিল্ট থাকতে হবে। এই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসার পরই ফুঁসে ওঠে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তাদের দাবি সাইবার নিরাপত্তার নামে আসলে সাধারণ মানুষের ফোনে নজরদারির চেষ্টা করছে মোদি সরকার। কংগ্রেসের সাংবিধানিক সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলছেন, “এটাকে অসাংবিধানিক বললেও কম বলা হয়। এভাবে বিগ ব্রাদার’রা আমাদের উপর নজরদারি চালাতে পারে না।“ একই দাবি তুলে সরব হয় তৃণমূল-সহ অন্য বিরোধীরাও। অবশেষে এই প্রবল বিরোধিতার জেরে পিছু হটল কেন্দ্র।

বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল প্রস্তুতকারী এবং ব্যবহারকারী দেশগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে ভারত। আমাদের দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১.২ বিলিয়নেরও বেশি। সেই সমস্ত ফোনেই বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি অ্যাপ যুক্ত করতে চাইছে কেন্দ্র। এই অ্যাপের নাম ‘সঞ্চার সাথী’। সাইবার প্রতারণা রোখার পাশাপাশি চুরি বা হারিয়ে যাওয়া ফোন ট্র্যাক, কালোবাজারে নকল ফোন বিক্রি রুখতে কার্যকরি এই অ্যাপটি। কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী এই অ্যাপ ব্যবহার করে এখনও পর্যন্ত ৭ লক্ষ চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে ৫০ হাজার ফোন শুধুমাত্র অক্টোবর মাসেই উদ্ধার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান,”এই অ্যাপ সকলের ফোনে রাখাটা আমাদের কর্তব্য। কিন্তু সেটা ফোনে গ্রাহক রাখবেন কি না, সেটা গ্রাহকের সিদ্ধান্ত। ফোনে ওই অ্যাপ রাখা বাধ্যতামূলক নয়। চাইলেই সেটা ডিলিট করা যাবে।”