Header AD
Trending

নবরূপে ফিরছে পুড়ে যাওয়া হলং বনবাংলো, অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার! আনুমানিক খরচ ৪ কোটি

পুড়ে যাওয়া হলং বনবাংলো আবার নবরূপে ফিরতে চলেছে, তবে পুরনো আদলে। পুনঃনির্মাণ নিয়ে ইতিমধ্যেই অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে পৌঁছেও গিয়েছে সেই অনুমোদন পত্র। এই বনবাংলোর নকশা ও যাবতীয় খুটিনাটি দিয়ে ডি পি আর (ডিটেইল প্রজেক্ট রিপোর্ট) তৈরি করেছে পূর্ত দপ্তর। গত জুন মাসে জমা দেওয়া পূর্ত দপ্তরের সেই ডি পি আরেই রাজ্য সরকার অনুমোদন দিয়েছে।  সোমবার এই কাজের টেন্ডার ডাকবে বনদপ্তর। তাদের আশা এবার নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু হবে।

বন দপ্তর সুত্রে জানা গিয়েছে একেবারে হুবহু আগের মতো করেই তৈরি করা হবে এই বাংলোটিকে। তিন তলার এই বাংলো তৈরির আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। প্রথমে তৈরি হবে কংক্রিট দিয়ে। পরে সেই কংক্রিটের বাড়ির ভেতর ও বাইরের দিক শাল, সেগুন আর পাইন কাঠ দিয়ে মুড়ে দেওয়া হবে। চট করে দেখে কেউ বুঝতেই পারবেন না যে এটা কংক্রিটের তৈরি। কাঠের হলং বনবাংলো নিয়ে দেশি বিদেশি পর্যটকদের আবেগকে মর্যাদা দিতেই এই ব্যবস্থা। তিনতলা বাংলোর ভেতর ও বাইরের ওয়াল উডেন ক্ল্যাডিং থাকবে। কাঠ সরবরাহ করবে বন দপ্তর। আগের থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার এই বনবাংলোতে আগুন প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ জুন বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের হলং বনবাংলা। পরে তদন্তে জানা যায় ৮ কামরার এই বনবাংলোর তিন তলায় ৩ নম্বর ঘরে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে গোটা বাংলো পুড়ে যায়। ১৯৬৭ সালে নির্মিত কাঠের এই বনবাংলোকে রাজ্য পর্যটনের ‘কোহিনূর’ বলেন অনেকে। কাঠের এই বন বাংলোকে পুরনো আদলেই কাঠ দিয়ে তৈরির দাবি জানিয়েছিলেন বিভিন্ন পক্ষ। অবশেষে সেই পুরনো আদলেই ফিরছে উত্তরের আবেগ এই বন বাংলো।