Header AD

তৃতীয়ার রোদ ঝলমলে সকালেও আংশিক জলমগ্ন শহর, বৃহস্পতিবার থেকে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি

মঙ্গলবারে দুর্যোগ কাটিয়ে বুধবার তৃতীয়ায় শহরবাসী রোদ ঝলমলে সকাল দেখল। আকাশ ঝকঝকে না হলেও ভারী বৃষ্টি তেমন হচ্ছে না। মঙ্গলবার দিনভর দুর্যোগের পর আশঙ্কার মেঘ এখনই কাটছে না। ফের ভারী বৃষ্টির ভ্রুকুটি রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হবে, শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎ সহ ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।মঙ্গলবার অধিকাংশ মানুষই গৃহবন্দী ছিলেন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা খুব প্রয়োজন ছাড়া অফিসে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি বুধবারও সেই বিধি মানার বিষয়ে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বুধবার সকালে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় অনেকেই কাজে কর্মে বেরিয়েছেন। তবে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও কলকাতার চিত্রটা মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার খুব বেশি বদলায়নি। পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হলেও এখনও কোথাও গোড়ালি ভেজা জল বা কোথাও হাঁটু পর্যন্ত জলও রয়ে গিয়েছে। পাম্পের সাহায্যে জোর কদমে চলছে জল নামানোর কাজ। হাওড়া, শিয়ালদায় রেলপথ কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়।

শহরের রাসবিহারী, গড়িয়াহাট, বালিগঞ্জ, পার্ক সার্কাস, সিআইডি রোড, আনন্দ পালিত রোডে জল রয়েছে। নিউ গড়িয়া,পাটুলি, মধ্য কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি সহ একাধিক এলাকা এখনও জলমগ্ন। জল এড়িয়ে রাস্তার এক পাশ দিয়ে চলছে গাড়ি ও বাস। এর জেরে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।সময় যত গড়াবে জল নামবে বলে মনে করছেন পুর আধিকারিকরা। এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, নিম্ন চাপের জেরে বৃহস্পতিবার থেকে একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে। শনিবার থেকে বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। তালিকায় রয়েছে কলকাতাও। চিন্তায় পুজো উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ- সকলেই।