Header AD

ভোগের সঙ্গে মিলবে তিনবেলার খাবার! পর্যটক টানতে নতুন উদ্যোগ দিঘা জগন্নাথ মন্দির কমিটির  

দিঘায় জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই ভক্তদের ঢল উপচে পড়েছে সৈকত শহরে। পাশাপাশি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের জনপ্রিয়তা, আয় বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। ভক্তসমাগম বৃদ্ধি করতে তাঁদের সুবিধার্থে মন্দির কর্তৃপক্ষ চালু করতে চলেছে নতুন পরিষেবা। ভোগ ছাড়াও, এবার থেকে অর্ডার করলে প্রাতঃরাশ থেকে নৈশভোজ সবই অত্যন্ত কম খরচে পাওয়া যাবে মন্দির থেকে। দিঘায় বেড়াতে গিয়ে সময়মতো খাওয়াদাওয়া নিয়ে আর চিন্তার প্রয়োজন নেই। প্রাতঃরাশ, মধ্যাহ্নভোজ, নৈশভোজ সব মিলবে ফোনের একটি ক্লিকে। হোটেলে বসে অর্ডার করলেও তিনবেলার খাবার আপনাকে পৌঁছে দেবে দিঘা জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ।

মেনুও রকমারি। সকালে জলখাবারে লুচি-সবজি অথবা খিচুড়ি অর্ডার করতে পারেন। এক প্লেট লুচি-সবজির দাম পড়বে মাত্র ৫০ টাকা। আর খিচুড়ি পাবেন ১০০ টাকা প্রতি প্যাকেজে। তবে মন্দির থেকে প্রাতঃরাশ নিতে হলে আগেরদিন রাত ৯টার মধ্যে অর্ডার দিতে হবে। মধ্যাহ্নভোজের ক্ষেত্রে রয়েছে দুধরনের প্যাকেজ – সাধারণ ও স্পেশাল। সাধারণ প্যাকেজে থাকবে অন্ন ভোগ-সহ পাঁচ রকমের পদ। ডাল, সবজি, ভাজা, মিষ্টি থেকে নানা ধরনের পদ মিলবে। খরচ মাত্র ১০০ টাকা। আর স্পেশাল প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে অন্ন ভোগ-সহ আট রকমের পদ। এছাড়াও রয়েছে ঘি পরোটা, পনিরও। এই স্পেশাল প্যাকেজ পাওয়া যাবে ১৫০ টাকায়। নৈশভোজেও দুপুরের মতই দুধরনের প্যাকেজ রয়েছে। সাধারণ প্যাকেজে অন্নভোগ-সহ পাঁচ রকমের পদ। আর স্পেশাল প্যাকেজে অন্ন ভোগ-সহ আট রকমের পদ। সঙ্গে থাকছে জগন্নাথের মহাপ্রসাদের অংশ। যেদিন জগন্নাথদেবকে যা ভোগ নিবেদন করা হবে, তার অংশবিশেষ মহাপ্রসাদ হিসেবে ভক্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন পদ থাকায় ভক্তরাও পাবেন নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা।

মিষ্টির প্যাকেজও রয়েছে ভোগের মধ্যে। মিষ্টির প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে গজা, প্যাড়া, খাজা, লাড্ডু। দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা। সারাদিন যে কোনও সময় আপনি এই মিষ্টির প্যাকেজ অর্ডার করতে পারেন। মন্দিরে এসেও কেনা যাবে এই মহাপ্রসাদ। পাশাপাশি থাকছে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা। তবে হোটেলে বসে অর্ডার করলে প্রতি প্যাকেজে ১০ টাকা করে ডেলিভারি চার্জ দিতে হবে।

দিঘায় এখন সাধ্যের মধ্যে হোটেল পাওয়া গেলেও খাওয়াদাওয়ার খরচ দিন দিন বেড়েছে। পর্যটকদের মতে, “দিঘায় হোটেল ভাড়ার খরচার থেকে বেশি খরচা হয় তিনবেলা খাওয়ার জন্য।”ফলে এখন অনেক পর্যটকই দিঘায় ঘুরতে এলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খাবারের দায়িত্ব তুলে দিচ্ছেন জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের উপর। এতে খরচও থাকছে স্বাধ্যের মধ্যে।