ফের রাজ্যে গণধর্ষণের ঘটনা। সিউড়িতে প্রার্থনার পর বাড়ি ফেরার পথে এক আদিবাসী প্রৌঢ়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ। তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় সিউড়ির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর মুখ সেই সময় ক্ষতবিক্ষত ছিল। বিজেপির দাবি, চারজন লোক তাঁকে তুলে নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে গণধর্ষণ করে। নির্যাতিতার মুখ থেঁতলে দেওয়া হয় পরিচয় লোকানোর জন্য। পুলিশ হাসপাতালে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গেরুয়া শিবির তাঁদের হেনস্তা করে বলেও জানা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সিউড়িতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চড়েছে রাজনীতির রং। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনা অত্যন্ত নক্কারজনক। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ইচ্ছাকৃতভাবে গেরুয়া শিবির এই ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করছে বলেই দাবি তৃণমূলের।
খবর পৌঁছতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। ডিএসপি, সিউড়ি থানার আইসি হাজির হন হাসপাতালে। নির্যাতিতার ছেলেকে সেই সময় নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য বিজেপি চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। ডিএসপিকে হেনস্তা করা হয় বলে দাবি পুলিশের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গেরুয়া শিবির নির্যাতিতাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেয়।
নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা জানান, চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের ভিতর অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নির্যাতিতাকে। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে । বিজেপির অভিযোগ, মহিলার যথাযথ চিকিৎসার আগেই পুলিশ তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। সিউড়ি এক নম্বর মণ্ডল সভাপতি অভিজিৎ দাস বলেন চিকিৎসা করার সুযোগই দেয়নি পুলিশ। তাই এক জুনিয়র ডাক্তার তাঁর রেফার লিখেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
উল্লেখ্য, নারী নির্যাতন রুখতে বরাবরই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুলিশের। সেই মতো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জোরদার তদন্ত শুরু হয় । ইতিমধ্যেই জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





