মঙ্গলবার ত্রিপুরার আগরতলায় তৃণমুলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তারপর থেকেই প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই সে রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। তাঁদের উপর হামলার আশঙ্কা করে প্রয়োজনে গান্ধীবাদ ছেড়ে সুভাষবাদের পথে হাঁটার কথা বললেন শশী পাঁজা (Shashi Panja), অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty)। বুধবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা বললেন, “ত্রিপুরার ঘটনা রাষ্ট্র পরিচালিত সন্ত্রাস। আগেরবার তৃণমূল নেতৃত্বকে খুন করার প্ল্যান করেছিল। আমরা নজর রাখছি। যদি এবারও কিছু হয় তাহলে গান্ধীবাদ ছেড়ে সুভাষবাদ ধরতে হবে।”
বুধবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী শশী পাঁজা ও তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী ত্রিপুরার হামলার ঘটনায় বিজেপির সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে বলেন, “ত্রিপুরার অসহিষ্ণু সরকার সেখানে গণতন্ত্র ধ্বংস করছে। পুলিশের উপস্থিতিতে ভাঙচুর করা হয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। ফ্লপ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এর কেন্দ্র। পুলিশ বসে সবটা দেখছে এই গণতন্ত্রের কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব উস্কানি দিয়েছে। এটা পুরোপুরি স্টেট স্পনসরড পলিটিক্যাল টেররিজম। আর পুলিশ দর্শক।”তাঁরা আরও বলেন, “এরাজ্যের বুকে বিজেপির পার্টি অফিস আছে, কোনও আক্রমণ হয় না। কেউ আক্রান্ত হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যান। পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পেয়েছেন তাই স্কোর কার্ড বাড়ানোর বিপ্লব দেব প্ল্যান করে এই আক্রমণ করেছে। আগেরবার তৃণমূল নেতাদের খুন করার প্ল্যান করেছিল। এবারও কিছু হলে গান্ধীবাদ ছেড়ে সুভাষবাদ ধরতে হবে।”





