Header AD

BJP শাসিত ত্রিপুরায় ঢুকতে বাধা তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে! বিমানবন্দরেই অবস্থান

ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, এমন অভিযোগ অনেকদিন ধরেই তুলছে বিরোধীরা। বুধবার, সেটা ফের প্রমাণিত হল। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া বাংলা তৃণমূলের (TMC)  প্রতিনিধিদলকে আগরতলা বিমানবন্দরের বাইরে বেরতে দিল না বিজেপি (BJP) সরকারের পুলিশ। মারধর করা হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের, এমন অভিযোগও উঠছে। আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে বুধবার সকালে ত্রিপুরার (Tripura) আগরতলায় পৌঁছন তৃণমূলের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এতটাই ব্যর্থ মানিক সাহা প্রশাসন, যে সেই আইনশৃঙ্খলার দোহাই দিয়েই বিমান বন্দর থেকে শহরে পা রাখতে বাধা দেয় পুলিশ।

প্রতিবাদে তৃণমূল প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমান বন্দরের সামনেই অবস্থানে বসেন। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ (Sayani Ghosh) বলেন, “আমাদের পার্টি অফিস ভাঙা হয়েছে বলে এসেছি, তাতেও সমস্যা।  ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩৬০দিন বিজেপি নেতারা বাংলায় ফাইভস্টার হোটেল ভাড়া করে পড়ে থাকেন, কোথাও কখনও বাধা পান না। অথচ বিজেপিশাসিত ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রতিনিধিরা এলেই বাধার মুখে পড়েন। এতেই বোঝা যায় ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য গণতন্ত্র নেই।

তৃণমূল প্রতিনিধি দলের অভিযোগ, যে গাড়ি তাঁদের নিতে এসেছিল তার চালকদের হুমকি দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)  জানান, এর পরে তাঁরা প্রিপেড ট্যাক্সি বুক করতে যান। সেখানেও তাঁদের গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়নি। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, দীর্ঘক্ষণ আগরতলা বিমানবন্দরের মধ্যে অবস্থানে বসে ছিলেন সুস্মিতা, প্রতিমা, সায়নী, কুণাল, সুদীপরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন  ত্রিপুরার তৃণমূল নেতৃত্ব। শেষপর্যন্ত গাড়ি-অটো কিছু না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পায়ে হেঁটেই তৃণমূল কার্যালয়ের  দিকে রওয়ানা দেয় তৃণমূল প্রতিনিধিদল। পরে অবশ্য চাপে পড়ে গাড়ির ব্যবস্থা করে মানিক সাহার পুলিশ।