Header AD

তৃণমূলের পক্ষে ১১-০ করতে হবে! আগামী নির্বাচনে বীরভূমের মানুষকে টার্গেট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মঙ্গলবার রামপুরহাটের রণসংকল্প সভায় দাঁড়িয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে নতুন টার্গেট বেঁধে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনো পরিসংখ্যান মনে  করিয়ে দিয়ে বীরভূমের বিজেপি নেতাদের নানান কীর্তির কথাও এদিন উঠে এল তাঁর বক্তৃতায়।  এদিন সভা থেকেই ষড়যন্ত্রকারীদের পরাস্ত করে ১১-০ তৃণমূলের পক্ষে করার ডাক দিলেন অভিষেক। সেই সঙ্গে প্রতি বুথের জন্য নির্দিষ্ট টার্গেট বেঁধে দিলেন। তিনি বলেন, “২০২৬-এ চতুর্থবার মা-মাটি-মানুষের সরকার হবে। কিন্তু এবার ১০ নয়, ১১-০ তৃণমূলের পক্ষে বীরভূমের মানুষকে করতে হবে।“

রামপুরহাটের মাটিতে দাঁড়িয়ে নাম ধরে ধরে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের কথায়, ‘‘বিজেপির যে নেতারা রয়েছেন, বিশেষত বীরভূমে, ধ্রুব সাহা। চিটফান্ড কেসে অভিযুক্ত। সুনীল সোরেন। এসটি সেলের সভাপতি। তিনি এক মহিলাকে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। আগের জেলা সভাপতি সন্ন্যাসী চরণ মণ্ডলের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ বিজেপির কর্মীরা তুলেছেন। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে বিজেপি কর্মীরা সর্বভারতীয় সভাপতিকে বলছে, তিনি সিউড়িতে প্রচুর সম্পত্তি করেছেন। রাজারহাটে ফ্ল্যাট করেছেন।’’

যে বিজেপি মাঠে নেই তাদের বিরুদ্ধে বীরভূমের তৃণমূল নেতাকর্মীদের লড়াইয়ের ডাক দিয়ে অভিষেক জানান, যেখানে আপনারা আমাকে যেতে বলবেন, আমি যাব, ঢুকব। দরকার হলে মিছিলে হাঁটব, সর্বস্তরের কর্মীদের সঙ্গে যাব, পাড়ায় ঢুকব, বাড়িতে যাব। একটু জমিও বিজেপিকে ছাড়া চলবে না। যে বুথে তৃণমূলের ৫০ ভোটে লিড ছিল সেটা ৫১ ভোট করতে হবে। যে বুথে ১০০ ছিল ১১০ করতে হবে। যে বুথে ৩০০ ছিল ৪০০ করতে হবে। এই বিজেপিকে এমনভাবে জবাব দিতে হবে যে – পাপের ঘড়া পূর্ণ, আগামীদিন এই বীরভূমের মাটিতে বিজেপি হবে শূন্য।“

বিজেপিকে ভোকাট্টা করে তৃণমূলকে জেতানোর আহ্বান জানিয়ে অভিষেক বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলে বাংলার ১০ কোটি মানুষ শান্তিতে থাকবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ থাকবে। তৃণমূল জিতলে দু’মুঠো ভাত আর বিরোধীরা কুপোকাত। বিজেপিত জিতলে ধর্মে ধর্মে আঘাত আর বিভাজন, অন্তর্ঘাত। ’’