Header AD

ট্রাম্পের আশাভঙ্গ! নোবেল শান্তি পুরস্কার ভেনেজুয়েলার মারিয়া করিনা মাচাদোকে

জল্পনা ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন। বিশেষ করে বুধবার হামাস ও ইজরায়েলের প্রথম দফার শান্তিচুক্তির পর সেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। ট্রাম্প নিজেও সেই আশায় ছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁর আশায় জল ঢেলে দিল নোবেল কর্তৃপক্ষ। ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভেনেজ়ুয়েলার মারিয়া করিনা মাচাদো।
মঙ্গলবারই ছিল তাঁর জন্মদিন।প্রসঙ্গত, মারিয়াকে বলা হয় ‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’। এই মুহূর্তে তিনি আত্মগোপন করে রয়েছেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করার জন্য ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের মধ্যে তাঁর নামও নির্বাচিত হয়েছিল। গত বছর ভেনেজুয়েলার নির্বাচনের পর থেকেই অন্তরালে রয়েছেন তিনি। দেশবাসীকে গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সচেতন করেছেন । তাঁদের সেই অধিকারের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন মারিয়া। একনায়কতন্ত্র থেকে ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছেন এই মারিয়াই। সে কারণে এ বছর নরওয়ের নোবেল কমিটি তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার অসলোতে মারিয়ার নাম ঘোষণা করেছে কমিটি।
গুঞ্জন ছিল এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আসলে গত কয়েক মাস ধরেই ওই পুরস্কার জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন যুদ্ধ বন্ধের ক্ষেত্রে নিজের কৃতিত্ব দাবি করেছেন তিনি। জনসমক্ষে ঘোষণা করেন, তিনিই এবারের শান্তির নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। নরওয়ের নোবেল কমিটির কাছে তিনি আবেদন জানান এই পুরস্কার তাঁকে দেওয়ার জন্য। পুরস্কার ঘোষণার মাত্র একদিন আগেই ইজরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিশ্চিত হওয়ায় চাপ বেড়েছিল নরওয়ের নোবেল কমিটির উপর।শেষ পর্যন্ত ভেনেজ়ুয়েলার বিরোধী দলনেত্রী মারিয়াকেই এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার দিচ্ছে নোবেল কমিটি।