Header AD

খসড়া তালিকায় রোহিঙ্গা কোথায়! বাংলার অসম্মানে বিজেপি নেতাদের ‘কান ধরে ক্ষমা চাওয়ার’ নিদান অভিষেকের

বাংলা সহ ১২ টি রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে মোট নাম বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটারের। যাতে রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ধুয়ে মুছে গিয়েছে। এই দাবি করে বিজেপি-সহ কমিশনকে দিল্লি থেকে এক তিরে বিঁধলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাকে অপমান করার জন্য বিজেপি নেতাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করলেন তিনি। দিল্লির সংসদের বাইরে এসে অভিষেক বললেন, “অনুপ্রবেশ নিয়ে বিজেপির যে সমস্ত নেতারা বাংলাকে অসম্মান করেছেন, তাঁদের ক্যামেরার সামনে এসে কান ধরে ক্ষমা চাওয়া উচিত।“ পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই বিএলওদের মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন।

এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন বাংলায় অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তার সঙ্গে অবৈধভাবে রোহিঙ্গারা ভোটার তালিকায় নাম তুলছে। তবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নির্দিষ্ট করে কোনও রোহিঙ্গার তথ্য প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্যকে হাতিয়ার করে অভিষেকের তোপ, “এক কোটি রোহিঙ্গা নাকি বাদ যাবে, কোথায়? কতজন বাংলাদেশি ধরা পড়ল? দেড় দুই শতাংশ নাম তো সব রিভিশনেই বাদ যায়, এটা তো স্পেশাল রিভিশন। সেই অনুপাতেই নাম বাদ পড়েছে। এক কোটি নাম বাদ যেতে চলেছে বলে দাবি করা হচ্ছিল, কিছু বলার থাকলে সরকারিভাবে বলুক।” তিনি আরও বলেন, “অনুপ্রবেশের কথা বলে বাংলাকে যে বিজেপি নেতারা অপমান করেছেন, তাঁদের ক্যামেরার সামনে এসে কান ধরে ক্ষমা চাওয়া উচিত।“ তাঁর আরও অভিযোগ, কীভাবে ফর্ম আপলোড করতে হবে, কীভাবে অ্যাপ পরিচালনা করতে হবে সেই সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ বিএলওদের দেওয়া হয়নি। এসআইআরের পাশাপাশি, তিনি একশো দিনের কাজ নিয়েও ফের এদিন কেন্দ্রকে বিঁধেছেন।

বাংলার বিধানসভার নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বাংলায় কংগ্রেসের সংগঠন দুর্বল, তৃণমূলকে জেতার জন্য হাত শিবিরের সঙ্গে জোট বাঁধার প্রয়োজন নেই। একার ক্ষমতায় তৃণমূল আবার ক্ষমতায় আসবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলেন, “নরেন্দ্র মোদি আত্মনির্ভর ভারতের কথা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বনির্ভর বাংলা গড়ে তুলেছেন। কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের জোটের প্রয়োজন নেই।“