২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে SIR শুনানিতে ডাকা হয়েছে—এই প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কবি জয় গোস্বামী। সোমবার মামলার শুনানি হওয়ার কথা। শুনানির শুরুতেই নির্বাচন কমিশনের তরফে নোটিশ পান কবি জয় গোস্বামী। সেই নোটিশ নিয়েই কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এরপরই কমিশনের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন কবি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দাখিল করা হয়েছে।
কবির দাবি, তাঁর এবং পরিবারের সকলের এনুমারেশন ফর্ম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জমা পড়েছিল। খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল, এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁর পরিবার।
পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, জয় গোস্বামীর জন্ম কলকাতার শিশুমঙ্গল হাসপাতালে। শৈশব কেটেছে রানাঘাটে মামার বাড়ি ও ডোভার লেনে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও তিনি ভোট দিয়েছেন। এই সমস্ত নথি ও তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা হল, সেই প্রশ্নই তুলেছে কবির পরিবার। বর্তমানে অসুস্থ কবি। এই শারীরিক অবস্থায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা মানে হেনস্তা বলেই অভিযোগ। সেই হেনস্তার প্রতিবাদেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
এদিকে, সাধারণ মানুষের হয়রানি এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের ক্ষমতা নিয়ে মঙ্গলবার ফের সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলের প্রতিনিধি দলের তরফে সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেন, এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করেছে সিইও দপ্তর। এছাড়াও, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্যে অসঙ্গতি ও আনম্যাপড ভোটারের তালিকা ইআরও-দের পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই লিঙ্ক মাইক্রো অবজার্ভারদের দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি তৃণমূল প্রতিনিধি দলের।





