স্কুটি চালানো শিখতে গিয়ে আনন্দপুরে নিখোঁজ এক তরুণী। এমনকি খোঁজ মিলছিল না স্কুটি প্রশিক্ষক বন্ধুটিরও। কিন্তু খালে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার হয় নিখোঁজ যুবকের দেহ। তরুণীর পরিবারের দাবি, সোমবার থেকে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না রণিতা বৈদ্য নামে ওই তরুণীর। পরিবারের সদস্যেরা বিষয়টি থানায় জানানোর পরই রণিতার খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে আনন্দপুর খালে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে রণিতার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, রণিতা আনন্দপুরের উত্তর পঞ্চান্নগ্রামের বাসিন্দা। মাস পাঁচেক আগেই স্কুটি কিনেছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, রোহিত অগরওয়াল নামে এক বন্ধুর কাছে স্কুটি চালানো শিখছিলেন রণিতা। সোমবারও স্কুটি চালানোর প্রশিক্ষণ নিতেই বেরিয়েছিলেন ওই যুবতী। সঙ্গে ছিলেন রোহিত। কিন্তু তার পরে আর বাড়ি ফেরেননি। ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই রোহিতেরও।পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ, স্কুটি চালানো শিখতে গিয়েই কিছু ঘটে থাকতে পারে। সূত্রের খবর, সোমবার স্কুটি চালানো শেখার সময় রোহিত এবং রণিতার মধ্যে ঝামেলাও হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি। আপাতত পরিবার এবং অন্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে দেখছে পুলিশ।দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর উদ্ধার হয় যুবকের দেহ। তরুণীর খোঁজে তল্লাশি চলছে। প্রাথমিক অনুমান, স্কুটার চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে গেছিলেন দু’জন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে রণিতার খোঁজও চালানো হচ্ছে। আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁরা স্কুটি চালানো শিখতে গিয়ে খালে পড়ে গিয়েছেন না তা এখনও স্পষ্ট নয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, খালপাড় থেকে ‘বাঁচাও’ বলে একটি মেয়ের গলা শুনেছিলেন তাঁরা। তারপর সেখানে গিয়ে অবশ্য স্কুটার ছাড়া কিছুই দেখতে পাননি। তাঁদের অভিযোগ ছিল, তরুণীর সঙ্গে থাকা তরুণ পালিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি যে ঠিক নয় তা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। স্কুটার চালানো শেখার সময় ব্যালান্স হারিয়ে তরুণ ও তরুণী নিজেরাই খালে পড়ে যান? হাজারটা প্রশ্ন সামনে রেখে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে আনন্দপুর থানার পুলিশ।





