সোমবার থেকে অগ্নিগর্ভ নেপাল। মঙ্গল পেরিয়ে, আজ বুধেও অশান্তি কমার লক্ষণ নেই। সেনার দখলে নেপাল, চলছে কার্ফু। অশান্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে দেখে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই ইস্য়ুতে কলম ধরলেন তিনি। লিখলেন কবিতা।
বুধবার উত্তরকন্যা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভালো থাকুক। বাংলা মনুষ্যত্ব, মানবিকতার জন্ম দেয়। জীবন্ত মানুষকে জ্বালিয়ে দিয়ে মিথ্যের নামে উল্লাস করা মানবিকতা নয়। কারও বিরুদ্ধে কারও ক্ষোভ থাকতেই পারে। নিজের স্বার্থে দেশভাগ, রাজ্যভাগ, জেলাভাগ করব! কিছু সুযোগসন্ধানী লোক আছে। তারা সুযোগ নেবে। কিন্তু তা যেন মানুষের জীবন না জ্বালায়। অত্যাচার না করে। অনাচার না করে। আমাদের দলের কেউ হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
উত্তরবঙ্গ থেকে নেপালের দূরত্ব খুব বেশি নয়। তাই সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সে কারণে উদ্বিগ্ন মমতা। উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক ভবন উত্তরকন্যা থেকে মঙ্গলবার সারারাত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বুধবার রাতেও জলপাইগুড়িতে থাকবেন তিনি। শান্তি ফিরলে হয়তো বৃহস্পতিবার শহরে ফিরবেন মমতা। নইলে সিদ্ধান্ত বদল।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেপালে গণঅভ্যুত্থানের সময়ই উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন জলপাইগুড়িতে চা বাগান শ্রমিকদের জমির পাট্টা বিলি-সহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। বক্তব্যের শুরুতেই নেপালের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী দেশে সমস্যা হচ্ছে। কাল সারারাত উত্তরকন্যায় ছিলাম। কারণ আমি চাই যাতে কোনওভাবে আমাদের দিকে কোনও সমস্যা হলে, আপনারা যেন নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারেন। আমাদের প্রশাসন দেখে নিতে পারে।”





