Header AD

পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক! পানিট্যাঙ্কি ও রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে নেপাল থেকে ফিরছেন ভারতীয়রা

অগ্নিগর্ভ নেপালকে শান্ত করতে ইতিমধ্যেই নিজেদের হাতে রাশ তুলে নিয়েছে সে দেশের সেনাবাহিনী। অশান্তি রুখতে কড়া হুঁশিয়ারির পাশাপাশি বিকেল ৫টা থেকে দেশজুড়ে কারফিউ জারির ঘোষণা করেছে সেনা। অন্যদিকে নেপালে থাকা ভারতীয়দের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে বিদেশমন্ত্রক।বর্তমানে সেনা শাসনে রয়েছে নেপাল। সেনার তরফে এক বিবৃতিতে জেন জি-কে দেশে শান্তি ফেরানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। জায়গায় জায়গায় করা হচ্ছে রুটমার্চ। দেশবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে শান্ত থাকার। বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেনার তরফে জানানো হয়েছে ৫ টার পর থেকে দেশজুড়ে কারফিউ জারির।

বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে কেউ যেন নেপাল সফর না করেন। যারা সেখানে রয়েছেন তাদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়দের জন্য ফোন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়রা যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া।ভারত-নেপাল সীমান্তে বাংলার রক্সৌল, পানিট্যাঙ্কি, উত্তর প্রদেশের সনৌলি, মহারাজাগঞ্জ দিয়ে বুধবার সকাল থেকে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে সীমা সুরক্ষা বল। কেউ পর্যটনের জন্য, কেউ পশুপতিনাথ দর্শনে, কেউ বা ব্যবসার কাজে নেপালে গিয়ে অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে আটকে পড়েছিলেন। ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয়পত্র যাচাই করে দেশে ফেরানোর কাজ চলছে। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে নেপাল কতটা ভয়ংকর, তা জানাচ্ছেন সেখান থেকে ফিরে আসা ভারতীয় নাগরিকরা। দার্জিলিংয়ের পানিট্যাঙ্কি দিয়ে ভারতের ফিরে আসা অসমের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, সেখানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পুলিশ নিরাপত্তা দিতে পারছে না। সকাল আটটা থেকে কার্ফু শুরু হওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বিগড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রাণ নিয়ে দেশে ফেরাটাই তাঁদের কাছে বড় ব্যাপার।বর্তমান পরিস্থিতিতে নেপালের সেনাবাহিনীর তরফে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।