Header AD

প্রয়াত বিজেপির প্রাক্তন সদস্য তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রয়াত অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, ১১টা ৩৫ নাগাদ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘ দিন ধরে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। এই মুহূর্তে অভিনেতার সঙ্গে রয়েছেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মা। ১৫ অগস্ট তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। ১৭ অগস্ট ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় তাঁকে। অভিনেতার সহকারী ছোটু জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে, বঙ্গ রাজনীতিতেও তিনি কিছুদিন সক্রিয় ছিলেন।তবে, আজ সেসব স্মৃতি।কাজ করেছেন, বহু ছবিতে। হীরক জয়ন্তী থেকে শুরু করে, অভাগিনী, মিলন তিথি । যদিও বা, শেষ কিছুদিন তাঁর অভিনয়ের সুযোগ হয়নি বললেই চলে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তাঁর আপ্ত সহায়ক সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘COPD ছিল তাঁর। ১৫ তারিখ মেডিকায় ভর্তি হলেন। তারপর, ১৬ তারিখ বের করা হল। তারপর, অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ১৭ই আগস্ট ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। ১১:৩৫ নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।”২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন জয়। কিন্তু হার হয়েছিল অভিনেতার। ২০২১ সালে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেছিলেন তিনি আর বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করবেন না। চুমকি চৌধুরী এবং জয়ের জুটি এখনও সিনেপ্রেমীদের কাছে আলোচিত। সুখেন দাস, অঞ্জন চৌধুরীর একাধিক ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও সহ অভিনেত্রী শতাব্দির সঙ্গে প্রয়াত অভিনেতার বোনের বন্ধুত্ব ছিল দারুণ। অভিনেত্রী বলেন, “কিছুক্ষণ আগেই তাঁর বোন আমায় জানাল এই খবর। আমার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই কথা হত ওদের। ও যখন অসুস্থ ছিল, তখন আমার সঙ্গে কথাও বলেছে। কিন্তু, কী আর! দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে অনেকগুলি কাজ করেছিল, সেই সুত্রেই সম্পর্ক ভাল ছিল।”তাঁর সহকারী জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর, কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে, সেই নিয়ে আলোচনা বাকি। আদৌ পার্টি অফিসে যাবেন কিনা, সেই নিয়েও কোনও উত্তর জানা যায়নি। তাঁর বেশিরভাগ ছবি ছিল, তাপস পাল, শতাব্দি রায়, রঞ্জিত মল্লিক এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সঙ্গে। এছাড়া, সে সময়ের ডাকসাইটে অভিনেত্রী প্রয়াত মহুয়া রায়চৌধুরীর সঙ্গে বহু কাজ করেছেন।