Header AD

বিজয়া দশমীর পর  ১৪ দিনের মধ্যে খুলতে হবে পার্কের মণ্ডপের কাঠামো, নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুরসভার

দুর্গাপুজো আসন্ন। বিভিন্ন ক্লাব ও পার্ক গুলিতে মণ্ডপসজ্জার প্রস্তুতি তুঙ্গে। এর মাঝেই পুজো কমিটিগুলিকে পুজো পরবর্তী নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। যে সমস্ত পার্ক ব্যবহার করা হবে  মণ্ডপসজ্জার জন্য সেগুলি পরিষ্কার করে পুজোর পর ১৪ দিনের মধ্যে খুলে দিতে হবে সাধারণ মানুষের জন্য। পুজো শেষ হওয়ার পরেও একাধিক পার্ক বন্ধ থাকে। অনেক সময় দেখা যায়,  বাঁশের কাঠামো  না খোলার জন্য পার্ক সাধারণের জন্য খোলা হয় না। ফলে ভোরে  প্রবীণদের হাঁটাহাঁটি , শিশুদের খেলা, বসার স্থান সব কিছু নিয়েই সমস্যায় পড়েন এলাকার মানুষ।

পুরসভা সূত্রে খবর, পার্কে পুজো আয়োজনের ক্ষেত্রে আগেও এই শর্ত আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে  বহু পার্ক সেই শর্ত মানেনি। অনেক পার্ক দীর্ঘদিন ধরে দখল অবস্থায় থাকে। এই নিয়ে বারবার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়েরা। এবার সেই সমস্যার সমাধানের জন্য কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (উদ্যান) দেবাশিস কুমার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনও পার্কে দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরি হলে, বিজয়া দশমীর পর সর্বোচ্চ ১৪ দিনের মধ্যে মণ্ডপের কাঠামো খুলে ফেলতে হবে। কলকাতার বিভিন্ন জনপ্রিয় পুজো মণ্ডপ যেমন খিদিরপুর ২৫ পল্লী, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, কুমারটুলি পার্ক, উত্তর কলকাতার জগৎ মুখার্জি পার্ক ও দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে পুজো শেষ হওয়ার পরও মণ্ডপ খোলার কাজের জন্য পার্কগুলি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে বাঁধা সৃষ্টি হয় এমনটাই অভিযোগ। মৌখিক নির্দেশ জারি করে কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ বলেন, “পার্ক সাধারণ মানুষের সম্পদ। পুজো করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তবে শর্ত মেনে সময়মতো পার্ক ফেরাতে হবে। নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, ‘‘দুর্গাপুজোর পর বিভিন্ন পার্কে কালীপুজোও হয়। দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল খোলা না হলে, কালীপুজোর প্রস্তুতিও ধাক্কা খেতে পারে। এই সব বিষয় মাথায় রেখেই দু’সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।’’ পুরসভার তরফে আরও জানানো হয় সময়মতো পার্ক খালি করতে ব্যর্থ হবে যে মণ্ডপগুলি, তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হবে ও প্রয়োজন মতো পুরসভা নিজে মণ্ডপ কাঠামো ভেঙে দেবে । যদিও সেই খরচ আয়োজক পুজো কমিটিকেই বহন করতে হবে।