কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল কলেজ ও হাসপাতালের হস্টেলে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক মেডিক্যাল ছাত্রের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খুন নাকি আত্মহত্যা—তা এখনও স্পষ্ট নয়, ফলে মৃত্যুর কারণ ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দা এবং জেএনএমের পঞ্চম বর্ষ তথা চূড়ান্ত সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর হস্টেল কক্ষ থেকে তীব্র পচা গন্ধ বেরোতে শুরু করে। দুর্গন্ধ টের পেয়ে অন্যান্য পড়ুয়ারা বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়।পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে রয়েছে পুলকের পচাগলা দেহ। প্রাথমিকভাবে অনুমান, কয়েক দিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের দাবি, আরজি কর আন্দোলনের সময় পুলক নাকি কিছু প্রভাবশালী মহলের চাপে পড়েছিলেন। এমনকি তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি।হাসপাতালের অতিরিক্ত মেডিক্যাল সুপার জানান, “ছাত্রটি দরজা খুলছিলেন না বলে জানা যায়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দরজা ভেঙে পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে জানা যাবে।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রহস্যমৃত্যুর জেরে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চিকিৎসক ও পড়ুয়াদের মধ্যে।





