Header AD

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে বাংলার স্বার্থরক্ষার বার্তা আইনজীবী সৌরভ চন্দ্রর

কলকাতা হাইকোর্টের পরিচিত আইনজীবী সৌরভ চন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে তিনি জোড়াফুল শিবিরে নাম লেখান। তৃণমূলে যোগ দিয়ে বাংলার স্বার্থরক্ষার বার্তা দিলেন সৌরভ।

দলে যোগ দেওয়ার সময় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, সৌরভ চন্দ্র একটি সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী পরিবারের বঙ্গসন্তান। তাঁর পিতৃকূলের পূর্বপুরুষ সুবল চাঁদ চন্দ্র ছিলেন বিশাল কাপড়ের ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মাতৃকূলের দিক থেকে তিনি রাজা রাজেন্দ্র মল্লিকের বংশধর। পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি সৌরভ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আইন পেশায়।

চন্দ্রিমা এদিন বলেন, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতেও সৌরভ একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি একটি ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করছেন। সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে তিনি আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং খ্যাতনামা আইনজীবী জে. পি. খৈতানের জুনিয়র হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

এদিন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কারণও নিজেই ব্যাখ্যা করেন সৌরভ চন্দ্র। তিনি বলেন, বাংলার প্রতি তাঁর আবেগ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি পংক্তি উদ্ধৃত করে তিনি বলেন,“নমোনমো নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি, গঙ্গার তীর, স্নিগ্ধ সমীর, জীবন জুড়ালে তুমি।” তাঁর কথায়, যখনই তিনি দেখেন বাংলাকে আক্রমণ করা হচ্ছে বা অপমান করা হচ্ছে, তখন তা তাঁকে ব্যথিত করে। সেই কারণেই তিনি মনে করেন এই বিষয়ে সরব হওয়া জরুরি।

এদিন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, বাংলায় কথা বললেই কাউকে বাংলাদেশি বলা হবে কেন? বাংলায় কথা বলা কবে থেকে অপরাধ হয়ে গেল—এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।