হায়দরাবাদে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় আবারও সামনে এল ভয়াবহ এক অপরাধের চিত্র। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীর শরীরে জোর করে নিজের এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত ইনজেকশন দিয়ে প্রবেশ করানোর অভিযোগ ওঠে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রায় এক মাস পর আত্মহত্যা করলেন ২১ বছর বয়সি সেই তরুণী।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত যুবক ও তরুণীর মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের বিয়েও প্রায় ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যুবকের পরিবারে এইচআইভি সংক্রমণের ইতিহাস জানার পর তরুণীর পরিবার বিয়ের আগে ছেলের রক্ত পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। গত সেপ্টেম্বরে রিপোর্টে জানা যায়, যুবক নিজেও এইচআইভি পজিটিভ। এরপরই বিয়ে ভেঙে দেয় তরুণীর পরিবার।
এই সিদ্ধান্তে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অভিযুক্ত। অভিযোগ, গত ১১ মার্চ তিনি তরুণীর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান এবং একটি সিরিঞ্জে করে নিজের রক্ত নিয়ে জোর করে তা তরুণীর শরীরে প্রবেশ করান। ঘটনার পর থেকেই তরুণী গভীর মানসিক চাপে ভুগছিলেন। ভয়, সামাজিক লজ্জা এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। অবশেষে শুক্রবার নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরিবারের লোকজন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এর আগেই অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এখন এই আত্মহত্যার ঘটনার পর নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।





