Header AD

মহিলা ভোটব্যাঙ্কে ধাক্কা নিয়ে আশঙ্কা! নারী সংরক্ষণ বিল ব্যর্থ, বিজেপির কৌশল নিয়ে প্রশ্ন আরএসএসের

bhagbat slams modi

দেশের রাজনীতিতে ‘লাভার্থী’ শ্রেণি তৈরিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) অন্যতম বড় সাফল্য বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। এই শ্রেণির একটি বড় অংশই মহিলা, যারা একাধিক নির্বাচনে BJPকে সমর্থন জানিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই সমীকরণে ধাক্কা লাগতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলা ও তামিলনাড়ুর (Election2026) মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের নির্বাচনের ঠিক আগে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women Reservation Bill) পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে সঙ্ঘ বা আরএসএসের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) অন্দরে। এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ সংঘ নেতৃত্ব।

দীর্ঘদিন ধরেই মহিলাদের মধ্যে আলাদা ভোটব্যাঙ্ক গড়ে তুলতে সক্রিয় রয়েছে আরএসএস। সেই প্রেক্ষাপটে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ নামে পরিচিত মহিলা সংরক্ষণ বিলটি পাস না হওয়াকে তারা বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে। সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, বিলটি পাস করাতে প্রয়োজনীয় কৌশলগত প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল সরকারের।

সংঘের অভিযোগ, বিরোধীদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা ও আস্থা অর্জনের প্রচেষ্টা করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  অমিত শাহ (Amit Shah) এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাদের মতে, আরও সুসংগঠিত উদ্যোগ নেওয়া হলে বিলটি পাস করানো সম্ভব ছিল। ভোটের ঠিক আগে সংসদে এই বিল আনার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলছে আরএসএস। তাদের আশঙ্কা, সংসদে এই ব্যর্থতা আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

উল্লেখ্য, বিশেষ অধিবেশনে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব আনা হয়েছিল। ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়ে। তবে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিলটি পাস করা সম্ভব হয়নি।