রাজ্যের দ্বিতীয় দফার (2nd phaseelection in bengal) ভোটগ্রহণও মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও বড় ধরনের অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। যদিও কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত গোলমাল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সবচেয়ে বেশি নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata Banerjee) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Shuvendu Adhikari) রাজনৈতিক লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। একটি ওয়ার্ডে দুই পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পরে আর কোনও বড় সমস্যা দেখা যায়নি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়েও কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ISF প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকীকে ঘিরে শাসকদলের কর্মীদের বিক্ষোভ দেখা গেলেও তা বড় আকার নেয়নি। ভোটের দিনে ভাঙড়ে অতীতের মতো হিংসার ছবি এ বার দেখা যায়নি। হুগলির গোঘাটেও সাময়িক অশান্তি হলেও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এ দিকে, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও ভোটদানের হার ছিল উল্লেখযোগ্য। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১.৪১ শতাংশ, যা অত্যন্ত সন্তোষজনক। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনের (ECI) ভূয়সী প্রশংসা হয়েছে।
তবে ফলতা-সহ রাজ্যের ২৬টি বুথে কারচুপি ও কিছু অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন বৈঠকে বসছে। প্রয়োজন হলে আগামী ১ মে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনাও রয়েছে।




