Header AD

চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর সতর্ক প্রশাসন, কালীপুজোয় নৈহাটির বড়মার মন্দিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণে একাধিক পদক্ষেপ

boro maa

দুর্গাপুজোর সময়ে সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় এবার কালীপুজোয় বাড়তি সতর্ক প্রশাসন। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার পুজোয় বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে ভিড় নিয়ন্ত্রণে একাধিক আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রতি বছরই বড়মার দর্শনে নৈহাটিতে হাজির হন লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থী। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন মায়ের দর্শন করতে। অনেকে আবার দণ্ডী কেটেও পুজো দিতে আসেন। ফলে পুজোর দিনগুলিতে মন্দির চত্বরে ব্যাপক ভিড় সামলানো প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।প্রশাসনের উদ্যোগে মন্দিরে প্রবেশ ও বেরোনোর জন্য আলাদা রাস্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সরু রাস্তায় যাতে প্রবেশ ও প্রস্থানের ভিড় মুখোমুখি না হয়, তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট পথ চিহ্নিত করা হয়েছে।

পাশাপাশি ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ যাতায়াতের স্বার্থে পুজোর দিনগুলিতে প্রয়োজন অনুযায়ী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও রুট পরিবর্তন করা হবে।সোমবার পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মন্দির চত্বর পরিদর্শন করেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুজো কমিটির সদস্য, মহকুমা শাসক, ইও এবং পুলিশ আধিকারিকরা। পরিদর্শনের পর নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়।

এছাড়াও স্নান সেরে মন্দিরে পুজো দিতে আসা পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের উপর বিশেষ নজর রাখা হবে। যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফ মোতায়েনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবার ভিআইপি দর্শনের জন্য থাকছে না কোনও বিশেষ ব্যবস্থা।সব মিলিয়ে, চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে নৈহাটির বড়মার পুজোয় নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।