Header AD

মহারাষ্ট্র বিজেপি’র প্রাক্তন মুখপাত্র আরতি অরুণ শাঠে এবার বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি!


বম্বে হাইকোর্টে তিনজন আইনজীবীর বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কলেজিয়ামের সিদ্ধান্তে এই নিয়োগের মধ্যে মূলত একজনকে নিয়েই বিরোধী শিবিরের আপত্তি। বিচারপতি পদে নিয়োগ পাওয়া আরতি অরুণ শাঠে, যিনি আগে মহারাষ্ট্র বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। পাশাপাশি তিনি দলের আইন সেলের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন। দলীয় মুখপাত্রকে বিচারপতি করা নিয়ে মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলগুলি সরব হয়েছে। আরতি অরুণের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও, কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের একজন সক্রিয় নেতাকে কীভাবে বিচারপতি করা যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।বিচারপতি শাঠের বাবাও সেই হাই কোর্টের আইনজীবী এবং তিনিও বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত।
সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে সরকারিভাবে সম্পর্ক শেষ করার কয়েক মাস পর আইনজীবী শাঠের নাম বিচারপতি পদের জন্য সুপারিশ করা হয়। ২৮ জুলাই, ২০২৫ সুপ্রিম কোর্টে শাঠের নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই ক্ষেত্রে বিরোধীদের অভিযোগ আইনজীবী শাঠেকে বিচারপতি পদে নিয়োগ করে বিচার ব্যবস্থাকে একপ্রকার কলুষিত করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, একজন রাজনৈতিক মুখপাত্রকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ সংবিধানকে বিকৃত করার প্রচেষ্টা নয়? এই নিয়োগ কি বিচার ব্যবস্থার পুরো প্রক্রিয়ার ওপর প্রশ্ন তোলে না? ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব যে হবে না, তারই বা গ্যারান্টি কী?
এ ধরনের বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। কিছুদিন আগে গুজরাত হাইকোর্টের এক বিচারপতির নিয়োগ ঘিরেও জলঘোলা হয়েছিল। বিচারপতির শপথ আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় আইনজীবীর রাজনৈতিক অতীত বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা অপ্রয়োজনীয় বলে রায় দেন।