মধ্যমগ্রামে রবিবার মাঝরাতে বিস্ফোরণের নেপথ্যে উত্তরপ্রদেশ যোগ প্রায় স্পষ্ট। বোমা ফেটে মৃত্যু হয়েছে বছর পঁচিশের যুবক সচ্চিদানন্দ মিশ্রের। তিনি উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তাঁর ব্যাগে থাকা বোমা ফেটেই এত বড় দুর্ঘটনা বলে মত তদন্তকারীদের। কম শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে অনুমান। আর এখানেই উঠছে হাজারও প্রশ্ন।ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ব্যাগ ভর্তি বোমা ও চার্জার। সকালে সেখানে পৌঁছায় NIA টিম। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেনসিক দল। স্কুলের সামনে এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন এখন কোনও আতঙ্ক নেই। সকাল থেকে পড়ুয়াদের উপস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে স্কুলের পঠন-পাঠন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত ১২:৫৭ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণ হয়। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হওয়ায় উত্তরপ্রদেশের যুবককে প্রথমে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার সকালে সচ্চিদানন্দের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে ওই যুবকের ব্যাগ থেকে প্রচুর বোমা উদ্ধার হয়েছে। সেখান থেকেই বিস্ফোরণ বলে প্রাথমিক অনুমান। মৃত যুবক শেষ বনগাঁ লোকালে করে মধ্যমগ্রাম স্টেশনে আসেন বলে জানা গেছে। কিন্ত কেন? ঠিক কী উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি ব্যাগে করে বোমা নিয়ে এসেছিলেন বা বড় কোনও নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি বলেন কিছু অপশক্তি সব সময় বাংলাকে বদনাম করা এবং বাংলার বিরুদ্ধে চক্রান্তের চেষ্টা করে চলেছে। মন্ত্রীর বলেন, “শান্ত মধ্যমগ্রামকে অশান্ত এবং আতঙ্কিত করতেই এই কাজ, তাতে সন্দেহ নেই।ওই যুবক কী উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে এসেছিলেন তা জানা জরুরি”। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।





