শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দাবি মানতে বাধ্য হল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। স্বাস্থ্যবিমা ও জীবন বীমায় জি এস টি প্রত্যাহারে বাধ্য হলো মোদি সরকার। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জি এস টি কাউন্সিলের বৈঠকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। সেই বৈঠকে স্বাস্থ্য বীমা ও জীবন বীমায় জি এস টি প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়েছিলেন চন্দ্রিমা। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকরী হবে নয়া জি এস টি। এরইসঙ্গে বেশ কিছু অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রী- জিএসটিতেই বদল আনল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকের পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন জিএসটি হার ঘোষণা করেছেন। এ বার থেকে দু’টি হারে জিএসটি কার্যকর হবে— ৫ এবং ১৮ শতাংশ। ১২ এবং ২৮ শতাংশের যে জিএসটি স্তর ছিল, তা তুলে দেওয়া হয়েছে। বদলে তা হচ্ছে ৫% ও ১৮%। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন হারে জিএসটি কার্যকর করা হবে।মাত্র কয়েকটি ক্ষেত্রে থাকবে ৪০ শতাংশ। তার মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু বিলাসসামগ্রী, নরম পানীয়, সিগারেট, গুটকা-পানমশলার মতো দ্রব্য। লটারি ও তামাকজাত পণ্যতে জিএসটি বেড়ে হল ৪০%। যা আগে ছিল ২৮%। উল্লেখ্য জীবনবিমা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিমায় পুরোপুরি মকুব হবে জিএসটি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন হারে জিএসটি প্রযুক্ত হবে বলেও জানান তিনি। বস্তুত,স্বাস্থ্য বীমা ও জীবন বিমায় জি এস টি তোলার দাবি প্রথম তুলেছিল তৃণমুল কংগ্রেস। অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দিল্লিতে জি এস টি কাউন্সিলের বৈঠকে গিয়ে এই দাবি জানিয়ে এসেছিলেন। স্বাস্থ্যবিমার উপর থেকে জিএসটি প্রত্যাহারের দাবিতে বছরখানেক আগেই সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে চিঠি লিখেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে। এবার সেই পথেই হাঁটল মোদী সরকার।উল্লেখ্য নতুন জিএসটি হারে দুধ, পনির,ঘি, মাখন, চিজ, রুটির মতো পণ্যে জিএসটি শূন্য করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এর ফলে অন্তত ১৭৫টি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমবে বলে অনুমান। জিএসটি কমল চর্ম্যজাত দ্রব্য, সার ,বস্ত্র সহ একাধিক পণ্যের।





