Header AD

আমেরিকা সহ ৮০ দেশে সাইবার হানার আশঙ্কা! চিনা হ্যাকারদের কান ট্রাম্প-ভান্সের ফোনেও  

বড়সড় সাইবার হানার শিকার আমেরিকা সহ বিশ্বের আরও ৮০টি দেশ। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। এর নেপথ্যে নাকি রয়েছে চিনা হ্যাকারগোষ্ঠী ‘সল্ট টাইফুন’। আমেরিকার প্রায় প্রত্যেক নাগরিকের তথ্যই তারা ইতিমধ্যে হাতে পেয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আমেরিকার গোয়েন্দারা। ২০১৯ থেকে সক্রিয় ‘সল্ট টাইফুন’। ২০২১ সালে জো বাইডেন প্রশাসন অভিযোগ করেছিল, মাইক্রোসফ্‌টের ইমেল ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিশ্বে নজরদারি চালাচ্ছে চিন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশ, আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলিকে নিশানা করেছিল চিনা হ্যাকারগোষ্ঠী। তদন্তকারীরা এ নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, যে পরিমাণ তথ্য চুরি হয়েছে, তা্র সাহায্যে চিনের গোয়েন্দারা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে রাজনীতিবিদ, গুপ্তচরের উপর নজর রাখতে পারবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, এই হ্যাকারদের মদত দিচ্ছে চিনা সরকার। শুধু টেলিযোগাযোগ সংস্থাই নয়, বিভিন্ন দেশের সরকার, পরিবহণ, আবাস এবং সামরিক কাঠামোও তাদের নিশানায় রয়েছে। তদন্তকারীদের যৌথ বিবৃতিতে আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ইটালি, জাপান এবং স্পেনের স্বাক্ষর রয়েছে। ব্রিটেন এবং আমেরিকার আধিকারিকেরা এই সাইবার হানাকে ‘অসংযত’ এবং ‘নির্বিচার’ বলে উল্লেখ করেছেন। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিশ্বব্যাপী প্রভাব খাটানোর যে আকাঙ্ক্ষা চিনের রয়েছে, এই সাইবার হানা তার পরিচায়ক।

এই চিনা হ্যাকারদের হামলায় এর আগেও ঘুম উড়েছিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত বছর আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্প যখন পুরোদমে প্রচার করছেন, সেই সময় তাঁর ফোনে আড়ি পাতা হয়। ভান্সের ফোনের কথোপকথনও শুনে ফেলে হ্যাকাররা। শুধু রিপাবলিকান নয়, আমেরিকার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারাও তাদের নিশানায় ছিলেন।  এবারও ‘সল্ট টাইফুন’ যে হোয়াইট হাউসের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে তাতে সন্দেহ নেই।