কিছুতেই যেন বিভ্রাট পিছু ছাড়ছে না কলকাতা মেট্রোর ! বুধবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে দক্ষিণেশ্বর থেকে বরাহনগরের মাঝে দেড় ঘণ্টা বন্ধ রইল মেট্রো পরিষেবা। নাকাল হলেন যাত্রীরা। অগত্যা বরাহনগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত ভাঙা পথেই যাতায়াত করতে হল যাত্রীদের। অবশেষে দুপুর ২টো ২০ মিনিট নাগাদ ফের স্বাভাবিক হয় মেট্রো পরিষেবা। উল্লেখ্য, মাত্র দিনদুয়েক আগেই ব্যস্ত সময়ে কবি নজরুল স্টেশনে একটি মেট্রো রেক খারাপ হয়ে যায়। ফলে মহানায়ক উত্তমকুমার বা টালিগঞ্জ স্টেশনের পর থেকে পরিষেবা সাময়িক বন্ধ ছিল।
বিগত মাসখানেক ধরে কলকাতা মেট্রোয় একের পর এক বিভ্রাট দেখতে দেখতে একরকম অভ্যস্তই হয়ে গিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় ওই স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রান্তিক স্টেশন হয়ে যায় শহিদ ক্ষুদিরাম। সেই শুরু! তার পর থেকে ভোগান্তি কমার লক্ষণ তো নেইই, বরং দিন দিন বাড়ছে। পাশাপাশি, সম্প্রতি ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহ রুটে মেট্রো চলাচল শুরু হয়েছে। তাতে ভিড়ের চাপ বেড়েছে আরও। প্রতিদিনই কিছু না কিছু অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। সপ্তাহখানেক আগেও প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে মেট্রো পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল। একেকটি ষ্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছিল দর্শকদের। ভিড়ের চাপে বন্ধ হচ্ছিল না দরজা। এখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও শুরু হয়েছে নতুন উৎপাত। অনেকক্ষেত্রে ট্রেনে উঠে যাত্রীরা জানতে পারছেন প্রান্তিক স্টেশনের বদল হয়েছে। অর্থাৎ নজরুল স্টেশনের জন্য কেউ ট্রেনে উঠলে হয়তো শুনলেন সেই ট্রেন মহানায়ক উত্তমকুমার পর্যন্ত যাবে। বুধবার দুপুরে দেড় ঘণ্টা পরিষেবা প্রসঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, দুই স্টেশনের মাঝে পয়েন্ট খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণেই এই বিপত্তি। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।





