মহালয়ায় পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনা। উৎসবের আমেজে গা ভাসাতে প্রস্তুত আমবাঙালি। প্রতি বছর নিয়ম মেনে ঠিক মহালয়ার দিনই প্রকাশিত হয় ‘জাগো বাংলা’ উৎসব সংখ্যা। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে এবছর বাড়তি পাওনা এই পত্রিকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে গান গাইলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এদিনের অনুষ্ঠানে সিঙ্গুরের কৃষক পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
রবিবার নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে তিনিও গলা মিলিয়ে গাইলেন আগমনী গান – ‘জাগো দুর্গা।’ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দিলেন বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির কথা। বললেন, ”যারা এতদিন বলত, বাংলায় দুর্গাপুজো হয় না, ইউনেস্কো তাদেরই জবাব দিয়ে দিয়েছে বাংলার দুর্গাপুজোকে ইনট্যানজিবেল কালচারাল হেরিটেজ তকমা দিয়ে। এটা যেন আমরা না ভুলি।” একই সঙ্গে বাংলার প্রায় প্রতিটি ক্লাবকে পুজো অনুদান বাবদ ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
শনিবারের পর রবিবার, মহালয়ায় আরও কিছু পুজোর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মাঝে বিকেলে নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র উৎসব সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিশেষত পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীকে। এরপরই মঞ্চে তাঁকে গান গাওয়ার অনুরোধ করেন মন্ত্রী-গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রী ‘জাগো দুর্গা’ গানে ইন্দ্রনীলের সঙ্গে গলা মেলান।





