Header AD

‘হয় ড্রেজিং করো, নয়তো বাঁধ ভেঙে দাও’! ফারাক্কা- হলদিয়া নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় নিয়ে আরও এক বার কেন্দ্রের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, উষ্মা প্রকাশ করলেন সেচ দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও। বুধবার দুপুরে দার্জিলিঙের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে উত্তরবঙ্গে বন্যা বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ানের পাশাপাশি ডিভিসির প্রসঙ্গ তুলেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি বলেন, ‘‘প্রকৃতিকে নিয়ে খেলা যায় না। নদীকে নিজের মতো বইতে দিতে হয়। ফারাক্কা- হলদিয়ায় ড্রেজিং হয় না। হয় ড্রেজ়িং করো, নয়তো বাঁধ ভেঙে দাও।’’ এক দিকে ড্রেজ়িং না করা, অন্য দিকে রাজ্যের মাইথন, পাঞ্চেতের মতো জলাধার থেকে জল ছাড়ার কারণে ‘ম্যানমেড’ বন্যাপরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিয়ে অতীতেও একই অভিযোগ করেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতির জন্য বুধবার আরও এক বার ভুটানকে দায়ী করেন তিনি। এদিন ফের তিনি বলেন, “ভুটানের জলেই এত বড় দুর্যোগ হয়েছে উত্তরবঙ্গে। তাই ভুটানের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত বাংলাকে।“ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজ্যের চাপে আগামী ১৬ অক্টোবর এ নিয়ে একটি বৈঠকও ডেকেছে কেন্দ্র। তাতে রাজ্যের এক আধিকারিককে পাঠানোর কথা রয়েছে। বুধবার এই প্রসঙ্গে তিনি  বলেন, ‘‘যে-ই যাক, বলতে হবে ওদেরও ক্ষতিপূরণ দিতে। বাংলার সদস্য থাকতে হবে। ওদের বাঁধের জল যাতে এখানে ঢুকে বাংলার ক্ষতি করতে না পারে, তার একটা ব্যবস্থা করতে হবে। কেন বার বার আমরাই ভুক্তভোগী হব?’’

মানস ভুঁইয়ার সেচ  দপ্তর নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘সেচ দপ্তর কাজটা ঠিক মতো করতে পারছে না। সেচ দপ্তর যা করবে, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে পরামর্শ করে করতে হবে। ম্যানগ্রোভ মতো গাছ লাগানোর কাজে হাত দিতে হবে বন দপ্তরকে।’’