কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নাবালিকা রোগীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় নতুন করে সারা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সেই ঘটনা নিয়ে এবার রিপোর্ট তলব করল স্বাস্থ্যভবন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। অভিযুক্ত কীভাবে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে প্রবেশ করল কারও অনুমতি ছাড়া? কীভাবে ঘটেছে এই ঘটনা, এই সব প্রশ্নের উত্তর চায় স্বাস্থ্যদপ্তর। এই সংক্রান্ত সমস্ত রিপোর্ট আগামী তিন দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।
জানা গিয়েছে, বুধবার চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সেই সময়েই ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ, ৩৪ বছরের অস্থায়ী কর্মী অমিত মল্লিক ১৫ বছরের ওই কিশোরীকে শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে যৌন হেনস্তা করেন। এসএসকেএম-এর আউট পোস্ট থেকে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পরেই ভবানীপুর থানা নিগৃহীতার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তার বক্তব্য রেকর্ড করে। এরপরই তল্লাশি চালিয়ে বুধবার রাতেই ধাপা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ভবানীপুর থানার পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে বিএনএস ২০২৩ এর ৬৫(১) ধারার অধীনে পকসো আইন, ২০১২-র ৪ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করে ভবানীপুর থানার পুলিশ। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাইপাস সংলগ্ন ধাপা এলাকার বাসিন্দা অমিত শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে গ্রুপ ডি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার এসএসকেএম-এর বহির্বিভাগে গিয়েছিল এই অভিযুক্ত। নিজেকে ‘চিকিৎসক’ পরিচয় দিয়ে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের শৌচাগারে নিয়ে যায় ওই নাবালিকাকে। সেখানেই তাকে যৌন নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে নাবালিকার চিৎকারে অন্যরা ছুটে এলে হাতেনাতে ধরা পড়ে অমিত।





