Header AD

‘আমার ধমনী- শিরায় তৃণমূল কংগ্রেস’, ৭ বছর পর দলে ফিরলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়, সঙ্গী বৈশাখী

 দীর্ঘ সাত বছর পর ঘরে ফিরলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (Sovan Chatterjee)। সঙ্গী বিশেষ বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তৃণমূল ভবনে অরূপ বিশ্বাস ও সুব্রত বক্সির হাত থেকে দলীয় পতাকা নেন দু’জনে। দলে ফিরে আপ্লুত কানন। বললেন, “মমতাদির আশীর্বাদে ঘরে ফেরা। নিজের সংসারে ঘরের ছেলে হয়ে ফেরা। আমার ধমনী-শিরায় তৃণমূল কংগ্রেস। এই অনুভূতি আজ ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।“ দলকে শক্তিশালী করতে পথে নামবেন বলেই জানালেন তিনি। দলে প্রত্যাবর্তনের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের(Abhishek Banerjee) কালীঘাটের অফিসে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁদের। 

প্রসঙ্গত মাস খানেক আগে দার্জিলিঙ্গে মুখ্যম্নত্রীর সঙ্গে দেখা করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তারপরই প্রশাসনিক পদে ফিরেছেন শোভন । নিউটাউন-কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ বা NKDA-র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার প্রাক্তন মেয়রকে। তার আগে বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় শোভন ও বৈশাখীর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে কথাবার্তা, আলোচনা হয়েছে। এবার সাত বছর পর ফের তৃণমুলে আনুষ্ঠানুইক ভাবে যোগ দিলেন তিনি। সেইসঙ্গে ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। সাত বছর পর ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরা শোভনকে ভোটের অন্যতম সৈনিকের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।তাঁর ঘরে ফেরা প্রসঙ্গে এদিন সাংবাদিকদের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “ঘরের ছেলের ঘরে ফেরা। মমতাদির আশ্রয়ে সবাইকেই  একদিন সবাইকেই ফিরতে হবে।“

বছর সাতেক আগে, ২০১৮ সালে দলের সঙ্গে দূরত্বের জেরে আচমকাই কলকাতার মেয়র পদ ছেড়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। একইসঙ্গে আরও দুই দপ্তরের মন্ত্রিত্বও ছাড়েন তিনি। তারপর দীর্ঘ সময়ে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। ২০২১ সালে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লি গিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। সেবছর বিধানসভা ভোটে তাঁকে তারকা প্রচারকের দায়িত্ব দেওয়া হয় বিজেপির তরফে। কিন্তু  গেরুয়া শিবিরে খুব বেশিদিন থাকেনননি শোভন-বৈশাখী।

তারপর ফের ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বাড়ে । পুরনো সতীর্থদের কারও কারও সঙ্গে নতুন করে নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হয় প্রাক্তন মেয়রের। প্রতি বছর ভাইফোঁটায় অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাতায়াতে ছেদ পড়েনি। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগত স্তরে কথাবার্তা হয়েছে বলে খবর।