Header AD

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই সস্ত্রীক বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়রের! ক্ষুব্ধ সব্যসাচী

২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম নেই সস্ত্রীক সব্যসাচী দত্তের। যেদিন থেকে বিধাননগর পুরসভা তৈরি হয়েছে ১৯৯৫-এ, সেই থেকে টানা কাউন্সিলর, ২০১৫-এ বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬-এ নিউটাউনের বিধায়ক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু যার ভোটার ছিলেন, বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সেই সব্যসাচী দত্তর নাম উধাও নির্বাচন কমিশনের ২০০২-এর ভোটার তালিকা থেকে। এমনকী তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণীর নামও উধাও, যা নিয়ে একই সঙ্গে হতবাক এবং ক্ষুব্ধ সব্যসাচী। স্বাভাবিকভাবেই এই SIR পর্বে এনুমারেশন ফর্ম তিনি ফিলআপ কীভাবে করবেন সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সব্যসাচী। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি।

জানা যাচ্ছে, সেক্টর ২-এর ওই পাড়ায় ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ পর্যন্ত ৮টি বাড়িরই হদিস উধাও ২০০২-এর ভোটার তালিকা থেকে। এই এলাকা একসময় রাজ্যের সব থেকে বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্গত ছিল। ডিলিমিটেশন হওয়ার পর এখন যা বিধাননগর বিধানসভার অন্তর্গত। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই পাড়ার যে কটি বাড়ির হদিস মিলছে না, সেগুলি অন্য কোনও বিধানসভার সাপ্লিমেন্টারি পার্টে ভুল করে জুড়ে গিয়ে থাকতে পারে।

২০০০ সালের কাউন্সিলর পদে জেতার সার্টিফিকেট সামনে রেখে বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র জানাচ্ছেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু  ও তাঁর পরিবার,  প্রাক্তন সাংসদ সরলা মাহেশ্বরী, রমেন পোদ্দার, আভা মাইতি, অ্যাডভোকেট জেনারেল নরনারায়ণ গুপ্ত এই বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আমার ভোটার ছিলেন।“ তাঁর প্রশ্ন, “আমার নাম ২০০২-এর তালিকায় যদি না থেকে থাকে, তা হলে তারও আগে এই বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আমার ভোটার হলেন কী করে?” নিজের SIR ফর্ম ফাঁকা রেখেই জমা দেবেন বলে ঠিক করেছেন বিরক্ত সব্যসাচী।