বাড়ির বাথরুমে লুকিয়ে বসেছিল চিতাবাঘ। ঘুমঘোরে শৌচালয়ে পা রাখতেই সঙ্গে সঙ্গে গায়ে ঝাঁপ দিল চিতাবাঘ। রক্তারক্তি কাণ্ড। চিতাবাঘের হামলায় গুরুতর জখম হলেন শিলিগুড়ির এক যুবক। স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর ক্ষত বেশ গুরুতর বলেই খবর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। বাড়ি থেকে বেরতেও ভয় পাচ্ছেন স্থানীয় মানুষরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বাগডোগরা বনদপ্তরের কর্মীরা। এলাকা জুড়ে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে চিতাবাঘের দেখা মেলেনি এখনও ।
জখম যুবকের নাম অভিষেক প্রসাদ। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে শিলিগুড়ির শিবমন্দির এলাকার বাসিন্দা তিনি। মঙ্গলবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে চিতাবাঘটি। লুকিয়ে বসেছিল সে বাথরুমে। ভোরে বাথরুমে পা রাখামাত্রই যুবকের উপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে চিতাবাঘটি। আতঙ্কে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায় বাড়িতে। হামলার পরই চিতাবাঘটি পালিয়ে যায় ।
জখম অভিষেকের বাড়ির মালিক বিশ্বনাথ দে বলেন, “সকালে হঠাৎ চিৎকার শুনে উপর থেকে উঁকি মারতেই দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ছেলেটি। নীচে এসে দেখি ওর মুখে, বুকে, হাতে আঁচড়ের দাগ। তখন বলল চিতাবাঘ হামলা চালিয়েছে। ওকে নার্সিংহোম নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা ভীষণভাবে আতঙ্কিত। বাড়ি থেকে বেরতেও ভয় লাগছে।“ এলাকা প্রায় শুনশান। দোকানপাটও প্রায় বন্ধ। এই এলাকায় চিতাবাঘ কোথা থেকে এল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বলে রাখা ভালো, এর আগেও বহুবার শিলিগুড়ি শহরে চিতাবাঘের দেখা পাওয়া গিয়েছিল। এই শিবমন্দির এলাকাতেও চিতাবাঘ দেখা গিয়েছিল। ফের নতুন করে চিতাবাঘ আনাগোনায়, স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।





