Header AD

অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছল স্মৃতির বিয়ে! নেপথ্যে পলাশের ‘গোপন’ সম্পর্ক? সাতপাকে বাঁধা পড়া নিয়ে জল্পনা

অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল স্মৃতি মান্ধানা- পলাশ মুচ্ছলের বিয়ে। আপাতত সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন না  বিশ্বাজয়ী ক্রিকেটার ও  সঙ্গীতশিল্পী। তাঁদেরকে দেখেই ভালোবাসার সংজ্ঞা তৈরি করে ফেলেছিলেন অনেকে। কিন্তু সেই ভালোবাসায় নাকি থাবা বসিয়েছে কোনও তৃতীয় পক্ষ! সেই কারণেই নাকি আপাতত ‘বল দেখে’ খেলতে চাইছেন ভারতের ওপেনিং ব্যাটার। অন্তত নেটমাধ্যমের জল্পনা সে কথাই বলছে। একগুচ্ছ চ্যাটের স্ক্রিনশট তুলে ধরে নেটিজেনরা দাবি করছেন, স্মৃতি মান্ধানা এবং পলক মুচ্ছলের সম্পর্ক আর আগের মতো নেই। তাঁদের বিয়েও এখন প্রশ্নের মুখে। সেই জল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিয়ের অনুষ্ঠানের সমস্ত ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে সরিয়ে দিয়েছেন স্মৃতি। এমনকি জেমাইমা রডরিগেজ, শ্রেয়াঙ্কা পাটিলের মতো ক্রিকেটাররা, যাঁরা স্মৃতির বিয়েতে চুটিয়ে আনন্দ করছিলেন, তাঁরাও বিয়ের সমস্ত ছবি সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলেছেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে গত রবিবারই সাতপাকে বাঁধা পড়তেন ক্রিকেটার স্মৃতি এবং গায়ক পলাশ। কিন্তু আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মান্ধানা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, এখন তিনি মোটামুটি সুস্থ আছেন। এরপর সোমবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পলাশকেও। জানা গিয়েছে, ভাইরাল ইনফেকশন এবং অ্যাসিডিটির কারণে হাসপাতাল যেতে হয়েছিল তাঁকে। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল থেকে অবশ্য হোটেলে ফিরেছেন পলাশ। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে গায়িকা পলক মুচ্ছল জানিয়েছেন, ‘স্মৃতির বাবার শারীরিক অবস্থার কারণেই স্মৃতি এবং পলাশের বিয়ে আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। সকলকে অনুরোধ করব, এই স্পর্শকাতর সময়ে দুই পরিবারের গোপনীয়তাকে মর্যাদা দিন।’

তবে ঘটনাবলি ক্রমেই অন্যদিকে মোড় নিতে থাকে। পলাশকে ঘিরে নানারকম জল্পনা ছড়িয়ে পড়তে থাকে সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই দাবি করেন, বাবার অসুস্থতা প্রধান কারণ নয়। বিয়ে পিছিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে পলাশেরই কিছু ‘কীর্তি’। মেরি ডি’কস্টা নামে থানের এক কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে পলাশের ঘনিষ্ঠ কথাবার্তার স্ক্রিনশট ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। থানের বাসিন্দা পেশায় কোরিওগ্রাফার মেরিকে লেখা বার্তার কোনওটায় পলাশ বলছেন, ‘চলো একসঙ্গে সাঁতার কাটতে যাই।’ আবার কোনওটায় একসঙ্গে সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন। স্মৃতিকে ডেট করাটা কষ্টকর হয়ে উঠছে বলেও ওই চ্যাটে দাবি করেছেন পলাশ। কিছু ‘দুষ্টু’ আলোচনা, ফ্লার্টিংও রয়েছে ওই স্ক্রিনশটগুলিতে। তবে ভাইরাল হওয়া এই স্ক্রিনশট আদৌ সত্যি কিনা তা স্পষ্ট নয়। শোনা যাচ্ছে, স্মৃতির সঙ্গেও নাকি বন্ধুত্ব রয়েছে মেরির। জল্পনা ছড়াতেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে যাবতীয় ছবি মুছে ফেলেছেন মেরি। তাঁর এই পদক্ষেপ জল্পনা আরও বাড়িয়েছে। খবর ছড়াচ্ছে, বিয়ের ঠিক আগের রাতেই নাকি পলাশের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল মেরিকে। এসব রটনার সাফাই দিতেই কি তড়িঘড়ি বিবৃতি দিয়েছেন দিদি পলক?  শেষপর্যন্ত স্মৃতি-পলাশের বিয়ে হয় কি না, এখন সেটাই দেখার।