Header AD

তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

লড়াইয়ের অপর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই করেই একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী থেকে দেশের প্রথম সারির নেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তৃণমূল নেত্রী। হয়ে উঠেছেন জননেত্রী। তাঁর হাত ধরেই তৃণমূল কংগ্রেস দলের আত্মপ্রকাশ। ১জানুয়ারি সেই দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লড়াকু বার্তা দিয়েছেন দলনেত্রী। রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আজীবন সংগ্রাম চলবে বলেই X হ্যান্ডেলের পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

দলের জন্মদিনে বৃহস্পতিবারের X হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টের শুরুতেই দলীয় কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পুরনো দিনের কথাও উল্লেখ করেন আবেগপ্রবণ হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি লেখেন, “মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথের মূল দিশারী দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। আজও আমাদের দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক এই লক্ষ্যে অবিচল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগকে আমি বিনম্র চিত্তে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার আজ অগণিত মানুষের আশীর্বাদ, অলোবাসা ও দোয়ায় পরিপূর্ণ।”

বিরোধী শক্তির রক্তচক্ষুকে উৎখাতের ডাক দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, “আপনাদের অকুন্ঠ সমর্থনকে পাথেয় করেই বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জন্য লড়াইয়ে অবিচল আমরা। কোনও রকম অপশক্তির কাছে মাথা নত নয়, সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের সংগ্রাম আজীবন চলবে।”

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৃণমূলের বীজ বপন হয়েছিল।সেই তৃণমূল আজ মহীরুহ। রাজ্যের বাইরেও তড়িৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে ঘাসফুল । উন্নয়নকে হাতিয়ার করে এগিয়ে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। এই বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এদিনের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করে তোলাই লক্ষ্য নেতৃত্বের। আরও এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প নিয়েই রাজ্যের কো্ণায় কোণায় এই বিশেষ দিন উদযাপন করছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা।