Header AD

SIR শুনানিতে পরিযায়ী ও স্বল্প শিক্ষিতদের বিকল্প ব্যবস্থার আবেদনে ফের নির্বাচন কমিশনে তৃণমূল

SIR প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই সাধারণ মানুষের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। শুনানিতেও সেই হেনস্তা অব্যাহত। এর প্রতিবাদে শনিবার ফের নির্বাচন কমিশনের অফিসে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন পার্থ ভৌমিক, শশী পাঁজা, পুলক রায়, বীরবাহা হাঁসদা ও শিউলি সাহা। এদিন তাঁরা একাধিক বিষয়ে সিইও-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিশেষত স্বল্প শিক্ষিত দরিদ্র মানুষ যাদের সঠিক কাগজপত্র নেই তাদের জন্য নির্বাচন কমিশন কী ভাবছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

শনিবার সিইও দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল জানায়, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। প্রতিনিধি দলের তরফে পার্থ ভৌমিক জানান, “আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি ,তাদের নির্দেশের পরও এখনও বহু অসুস্থ মানুষকে এস আই আর শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।
লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। এই বিষয়টা কেন BLO আর AERO স্তরে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না সেই প্রশ্নও আমরা রেখেছি। “
উল্লেখ্য, বাইরে কর্মরতদের শুনানিতে সশরীরে হাজির থাকতে হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রসঙ্গ তুলে এদিন নির্বাচন কমিশনের কাছে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। এই ব্যাপারে পার্থ ভৌমিক জানান, বাইরে কর্মরতদের জন্য কমিশন যে অর্ডার দিয়েছে আমরা দাবি করেছি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য সেই একই ব্যবস্থা করা উচিত।”

এর সঙ্গে স্বল্প শিক্ষিত দরিদ্র মানুষ যাদের পর্যাপ্ত বৈধ কাগজপত্রের অভাব রয়েছে তাদের হয়েও সওয়াল করেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। এপ্রসঙ্গে পার্থ ভৌমিক জানান, আমরা বলেছি, এমন অনেক মানুষ আছে যারা জমির পরচা নিয়ে এরাজ্যে বহু বছর বাস করছে অথচ শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাবে তাদের সঠিক কাগজপত্র হয়তো নেই, তাদের জন্য একটা ব্যবস্থা করুন। তাদের কেন এইট পাস সার্টিফিকেট অ্যালাও হবে না? তাহলে তাদের ফার্স্ট ট্র্যাক আদালত কোনও নথির ব্যবস্থা করা হোক অথবা তাদের ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রাহ্য হোক। তাদের জন্য কিছু একটা ভাবুন।”