Header AD

SIR শুনানিতে তলব সামিরুল ইসলামকে! কমিশনের হটকারিতায় ক্ষুব্ধ তৃণমূলের সাংসদ

এবার SIR শুনানিতে ডাক পড়ল তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের (Samirul Islam)। স্বাধীনতার আগে থেকে রামপুরহাটের বাসিন্দা তাঁর পরিবার। তা সত্ত্বেও এসআইআর (SIR in Bengal)শুনানিতে ডাক পেলেন সামিরুল । আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে খবর।

গত অক্টোবরে বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এন্যুমারেশন ফর্ম ফিলাপ পর্ব শেষে প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা । সেই তালিকা প্রকাশের পর এই মুহূর্তে চলছে শুনানি পর্ব। এস আই আর প্রক্রিয়া শুরুর সময় থেকেই সাধারণ মানুষের হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। শুনানি পর্বেও সেই হয়রানি অব্যাহত। এর প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। নথিতে সামান্যতম গরমিলেও তলব করা হচ্ছে বহু মানুষকে। সেই তালিকায় যেমন তারকারা, সমাজের নামি ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন তেমনই বৃদ্ধ থেকে অসুস্থ, কেউই বাদ যাচ্ছেন না। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে সকলকে। এবার এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম (Samirul Islam)। জানা গিয়েছে, নোটিসে ১৯ তারিখ অর্থাৎ আগামী সোমবার সকাল ১১ টায় তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। স্বভাবতই এই তলবে নির্বাচন কমিশনের ওপর বিরক্ত সাংসদ।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই এস আই আর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন সাংসদ-অভিনেতা দেব, জয় গোস্বামী, মহম্মদ শামি, লক্ষ্মীরতন শুক্লা-সহ বহু বিখ্যাতরা। বুধবার দেবকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। বেরিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিস্ফোরক অভিযোগ করে দেব বলেন, “২০১১ থেকে ভোট দিয়েছি, সেটা কি তাহলে অবৈধ? তারপর ২০১৪, ১৬,১৯, ২১, ২৪ – আমি যে এর আগে বিধানসভা লোকসভায় এতগুলো ভোট দিলাম তাহলে কি সেগুলো বাতিল? আর একটা কথা, এসআইআর শুনানি তো ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে সেটা বাংলায় বিধানসভার ভোটের মুখে কেন শুরু হল? কেন এক বছর আগে থেকেই শুরু করা হল না শুনানি পর্ব?” পাশাপাশি বয়স্ক , শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটারদের জন্য কমিশনকে মানবিক হওয়ার আর্জি জানান তারকা সাংসদ।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে, শুনানিতে ডেকে আমজনতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে। বৃদ্ধ ও অসুস্থদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিংয়ের দাবিও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন তিনি। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। কমিশনের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ আমজনতাও।