Header AD
Trending

মোদির ‘পাল্টানো দরকার’ স্লোগানের পাল্টা দিল্লির গদি পাল্টানোর ডাক অভিষেকের

ছাব্বিশে বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্যের অন্যতম আলোচিত এলাকা সিঙ্গুরে রবিবার জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্প ফেরানো নিয়ে সরাসরি কোনও ঘোষণা না করলেও এদিনের সভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে সরকার পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, “সিঙ্গুরের উৎসাহ জানান দিচ্ছে, পালটানো দরকার। বিহার জঙ্গলরাজ উপড়ে ফেলেছে। বাংলায় তৃণমূলের জঙ্গলরাজ উপড়ে ফেলতে হবে।” “পালটানো দরকার”, স্লোগান তুললেন মোদি।সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে ‘আসল পরিবর্তনে’র ডাক দিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু বাংলায় নয়। এবার বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে নরেন্দ্র মোদির সরকারের পাল্টানোর রাজনীতি দিয়েই দিল্লির পাশা পাল্টানোর বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদিকে অভিষেকের বার্তা, বাংলা আগামী দিন আপনার দিল্লির গদি চূর্ণ বিচূর্ণ করে আপনার ঔদ্ধত্য অহংকার ভাঙবে। পাল্টাবেন আপনি।নদিয়ার চাপড়ায় রোড শো থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁরই কথায় জবাব দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির এই স্লোগানের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরে অভিষেক এদিন বলেন, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী এসে মালদায় বলেছেন পাল্টানো দরকার, তাই নাকি বিজেপি সরকার। বাংলার মানুষকে পাল্টাতে চাইছেন। বাংলার মানুষ পাল্টায়নি মোদিজি। কারণ আপনি বাংলার মানুষকে শাস্তি দিয়ে পাল্টাতে চাইছেন। বাংলার মানুষের একশো দিনের কাজ, জল, মাথার ছাদ, ভোটাধিকার সব কেড়ে নিয়ে মানুষকে শিক্ষা দিয়ে পাল্টাতে চান। আপনি চান যাতে বাংলা আত্মসমর্পণ করে বশ্যতা স্বীকার করে, মেরুদণ্ড বিক্রি করে, মাথা নোয়ায়। বাংলার মানুষ পাল্টাবে না।অভিষেক বলেন, “আপন বলেছেন পাল্টানো দরকার, আমি আপনার সঙ্গে একমত। পাল্টানো দরকার, পরিবর্তন দরকার। পরিবর্তন হবে আপনাদের। যাঁরা জয়শ্রীরাম বলে সভা শুরু করত। এখন জয় মাকালী বলে সভা শুরু করছে। পরিবর্তন হবে আপনাদের। পাল্টাছেন আপনারা। বাংলার মানুষ পাল্টাবে না”।অভিষেকের বিজেপিকে বার্তা, “যারা আমাদের শাস্তি দিতে চায়, আমরা তাদের মাথা নত করব না। যদি কেউ পাল্টায় ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা পাল্টাবে। যদি কেউ পাল্টায় দিল্লির বহিরাগতরা পাল্টাবে। আপনি আমাদের শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন রাস্তার টাকা বন্ধ করে। এই কৃষ্ণনগরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে রাস্তাশ্রী-পথশ্রী প্রকল্পের চার নম্বর অধ্যায়ের কথা ঘোষণা করেছেন, যেখানে ৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাংলার জুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা হবে”।