Header AD

নৈহাটির বড়মার মন্দিরে কালীপুজোয় বাড়তি কাউন্টার, জোরদার পুলিশি ব্যবস্থা, মঙ্গলবার যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার নৈহাটির বড়মাকে পুজো দিতে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অরবিন্দ রোডের ১০২ বছরের পুরনো বড়মাকে প্রথমে পুজো দেবেন তিনি। তারপর পুজো দেবেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠিত কষ্টিপাথরের বড়মাকে। ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসন এবং মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করতে চলছে তৎপরতা।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বড়মার মন্দির নতুন করে স্থাপনের পর উদ্বোধনের সময় গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তারপরের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে সেবার তাঁকে উপহারস্বরূপ একটি দেবীমূর্তির ছবি উপহার দিতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর বাড়িতে বেশি জায়গা নেই। তাই তিনি একটি ছোট মূর্তি তৈরি করে দিতে বলেন। এরপর মন্দির কমিটি শিল্পী শুভেন্দু সরকারকে দিয়ে বালেশ্বরী কালো পাথরে তৈরি করায় বড়মার মূর্তি। যার উচ্চতা সাড়ে 5 ইঞ্চি, চওড়া পাঁচ ইঞ্চি। মূর্তির চালচিত্রও পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। মায়ের নানা অলংকারও তৈরি হয়েছে পাথর দিয়েই। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে সেই মূর্তি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে মন্দির কমিটি।

বড়মার মন্দিরে ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি সম্বন্ধে পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা জানান, ” ভিআইপি পুজো দেওয়ার সময়েও আসা ভক্তরা সুষ্ঠুভাবে পুজো দিতে পারবেন। এছাড়াও প্রতিদিনই প্রায় এক হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে বড়মার মন্দিরে।”

বড়মার কাঠামো পুজো হয় কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোর দিন। সেদিন থেকেই গঙ্গায় স্নান করে শুরু হয় দন্ডী কাটার পর্ব।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ অক্টোবর থেকে একটি ও ১৭ অক্টোবর থেকে তিনটি কাউন্টার খোলা হয়েছে পুজো গ্রহণের জন্য। এছাড়াও ভক্তদের সুবিধার্থে কালী পুজোর দিন থাকছে পুজো গ্রহণের জন্য মোট চারটি কাউন্টার।

বড়মার কালীপুজো সমিতির সম্পাদক, তাপস ভট্টাচার্যের কথায়, অঞ্জলির শেষে নৈহাটি মহেন্দ্র স্কুল ও নৈহাটি বয়েজ স্কুল থেকে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। একমাত্র যারা কুপন পাবেন তারাই এই প্রসাদ গ্রহণ করতে পারবেন।