শুক্রবার দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ে ফিরেছেন জিতু কমল। তবে আদৌ কি মিটল দ্বন্দ্ব !
এদিন রাতেই ছড়িয়ে পড়ে আরও একটি খবর। নায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে ধারাবাহিকের নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায় নাকি মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন! এছাড়াও, সোশাল মিডিয়ায় জিতু ভক্তদের কটুক্তির জেরে অভিনেত্রী মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন যে কাজেও তাঁর মন বসছে না । সেই কারণেই তিনি লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন আর্টিস্ট ফোরামকেও।
সূত্রের খবর, দিতিপ্রিয়া নিজেই নাকি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিক ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছেন! যদিও সবটাই এখনও জল্পনার স্তরে, তবে অভিনেত্রীর মহিলা কমিশনে দ্বারস্থ হওয়ার খবর শুধুই কি গুঞ্জন? জানা গিয়েছে, কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন দিতিপ্রিয়া। সংবাদমাধ্যমকে লীনা গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দিতিপ্রিয়া তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে পরামর্শ চেয়েছিলেন। উত্তরে তিনি জানিয়েছেন দিতিপ্রিয়া মনে করলে আর্টিস্ট ফোরামে অভিযোগ জানাতে পারে। তবে শোনা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ জানাননি তিনি। অপরদিকে আর্টিস্ট ফোরামের সূত্রে খবর, মেইল মারফৎ দিতিপ্রিয়া সংগঠনের কাছে কিছু জিনিস জানিয়েছেন।দ্বিতীয় বারের কোন্দলের পর ধারাবাহিকের প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ-এর মিটমাট বৈঠকে দিতিপ্রিয়া জানিয়েছিলেন, তিনি মন দিয়ে কাজ করবেন। শুক্রবার নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন তিনি! যদিও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি জি বাংলা চ্যানেল কর্তৃপক্ষ, প্রযোজক বা জিতু কেউই।
উল্লেখ্য, নায়ক-নায়িকার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকের শুটিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠা মাত্রই সোমবার বৈঠকে বসে ধারাবাহিকের প্রযোজনা সংস্থা। তবে শোনা যায়, বৈঠক করেও মেটানো যায়নি জিতু ও দিতিপ্রিয়ার মধ্যেকার দ্বন্দ্ব। প্রায় তিনঘণ্টা ধরে চলে এদিনের বৈঠক। বৈঠকের মাঝে হঠাৎই নাকি বেরিয়ে যান জিতু। এই ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন জেগেছিল সকলের মনেই। এমনকি নায়ক বদলের কথাও শোনা যায়। তবে বৃহস্পতিবার টিআরপির ফলপ্রকাশ হতেই জিতু কমল জানান, আর্যর চরিত্রে তিনিই থাকছেন। শুক্রবার কল টাইম পেয়ে শুটেও গিয়েছিলেন তিনি। তবে রাত পোহাতেই ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহল থেকে উঠে এলো অন্য তথ্য। এখনও বহাল ‘অপু-আর্য’র দ্বন্দ্ব।





