উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের বাড়িতে বোমাতঙ্ক। সূত্রের খবর, উপরাষ্ট্রপতির চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা রাখা হয়েছে বলে খবর আসে। তৎক্ষণাৎ রাধাকৃষ্ণনের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশের একটি দল। খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডে। এরপর শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশের দাবি, অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি উপরাষ্ট্রপতির বাড়িতে। পুলিশের অনুমান, আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ভুয়ো বোমা হামলার কথা ছড়ানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালে তামিলনাড়ুর ডিজিপি অফিসে একটি ইমেল আসে। সেই ইমেলে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল, উপরাষ্ট্রপতির চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশবাহিনী এবং বম্ব স্কোয়াড। গোটা বাড়িজুড়ে শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। শেষপর্যন্ত কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। কে ওই হুমকি ইমেল পাঠিয়েছে, আপাতত সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, উৎসবের আবহে এক মাসে একাধিকবার দিল্লিতে ছড়িয়েছে বোমাতঙ্ক। এর আগেও একাধিকবার দিল্লি বিমানবন্দর-সহ একাধিক স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এরপরই টনক নড়ে দিল্লি পুলিশ প্রশাসনের। বিমানবন্দর-সহ রাজধানীর একাধিক জায়গায় বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। কয়েকদিন আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল ইমেলে। বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ইলায়ারাজার চেন্নাইয়ের স্টুডিওতেও বোমা রাখা হয়েছে বলে একবার হুমকি আসে। এছাড়াও গত আট মাসে দিল্লির প্রায় ১৫০ স্কুল এবং কলেজে বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়। ভুয়ো বোমাতঙ্কের হাত থকে নিস্তার পায়নি বিভিন্ন হোটেল এবং এমনকী দিল্লি হাই কোর্টও। আর বারবার বোমাতঙ্ক ছড়ানোয় দুশ্চিন্তা বাড়ছে দিল্লি পুলিশের।





