Header AD

সিএএ নিয়ে বড় সংশোধনী কেন্দ্রের! ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ার নির্দেশিকা সব রাজ্যকে, বিরোধিতা করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেবাংশুর

দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন’। এবার সেই বিলে বড় সংশোধনী আনল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পুরনো নির্দেশিকা অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ থেকে যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, খ্রিস্টানরা ভারতে ধর্মীয় কারণে ঢুকেছেন, তাঁরা সবাই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-তে নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে আবেদন করতে পারেন। সোমবার রাতে নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আবেদনের সময় দশ বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর করেছে। এর পাশাপাশি বুধবার থেকে বিদেশিদের জন্য সমস্ত রাজ্যে ডিটেনশন সেন্টার চালুর নির্দেশিকাও জারি করেছে।

এই ইস্যুতে এবার  বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ  দেবাংশু ভট্টাচার্য।  তিনি বলেছেন, “নিয়ম বানাতেই চার বছর লেগে গেল। আজ পর্যন্ত সিএএ-তে কতজন আবেদন করেছেন তা সুকান্তবাবুরা জানাতে পারবেন? ২০২৪ সালের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বললেন, বাংলা দেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘু অর্থাৎ হিন্দুরা যদি কেউ আমাদের দরজায় এসে ঠকঠক করে আমরা তাদের আশ্রয় দেব। তাহলে তখন কেন বিজেপি এর বিরোধিতা করেছিল? আপনি এনআরসিও করবেন আবার ২০২৪ অবধি সময় বাড়িয়ে দিয়ে আরও বেশি লোককে আহ্বান জানাবেন। এটায় আমাদের আপত্তি নেই , কিন্তু এনআরসির সময় চাপের কথাটা বলেন কেন? চাপ কি ধর্ম দেখে তৈরি হয়? দ্বিধা দ্বন্দ্ব বিজেপিকে বাংলার মানুষের কাছে আগামী দিনে আরও ছোট করবে।“  

 প্রসঙ্গত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন দিয়ে CAA কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। এই আইনে বলা হয়েছে, নাগরিকত্বের আবেদন জানানোর আগে অন্তত এক বছর এবং তার আগে ১৪ বছরের মধ্যে অন্তত পাঁচ বছর যাঁরা ভারতে থেকেছেন, তাঁরাই নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন। তবে এর বাইরে রাখা হয়েছে অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামের বাসিন্দাদের। ১৯৫৫-র নাগরিকত্ব আইনের সঙ্গে সিএএ-র ফারাক উসকে দিয়েছে বিতর্ক। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে কোনও ধর্মের উল্লেখ ছিল না। ২০১৯ সালে কেন্দ্র সরকার যে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ করিয়েছে তাতে স্পষ্টত ধর্মের উল্লেখ আছে। আর সেখনেই আপত্তি রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী দলগুলির।