পুজোর আগে ৫ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল কলকাতা। জলমগ্ন হয়েছিল গোটা শহর। সেই জমা জলে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। একই ভাবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও ২ জনের মৃত্যু হয়। বুধবার দার্জিলিংয়ে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মৃত ১২ জনের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি জানান, ১৭ অক্টোবর কলকাতায় মৃতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সাহায্য ও একজন সদস্যকে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য ২২ সেপ্টেম্বর রাতের প্রবল বৃষ্টিতে পরদিন মঙ্গলবার যাদবপুর, পার্কসার্কাস, তারাতলা, একবালপুর, ভবানীপুর-সহ শহরের অধিকাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। সেই জমা জলই মৃত্যু ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মোমিনপুর, নেতাজিনগর, ঠাকুরপুকুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা মিলিয়ে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়। এই পরিস্থিতির জন্য সিইএসসি-কে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃতদের পরিবার পিছু অন্তত ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ও সিইএসসির তরফে চাকরি দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পরবর্তীতে মৃতের পরিবারকে রাজ্যের তরফে আর্থিক সাহায্য হিসেবে ২ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সিইএসসি চাকরি না দিলে মৃতদের পরিবারের একজন সদস্যকে স্পেশাল হোমর্গাডের চাকরির আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই আশ্বাস মতই বুধবার দার্জিলিংয়ের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মৃতদের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, “কলকাতায় একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল। জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কলকাতার ১০ জন-সহ মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ১৭ তারিখ শেকসপিয়র সরণি চত্বরের কোনও এক মণ্ডপে ওনাদের পরিবারকে ডাকা হবে। তুলে দেওয়া হবে নিয়োগ পত্র ও আর্থিক সাহায্য।”





