Header AD

দূষণে ভয়াবহ পরিস্থিতি দিল্লির! রেহাই পেতে চালু হল GRAP-III বিধিনিষেধ

দূষণের হাত থেকে কিছুতেই রেহাই মিলছে না দিল্লিবাসীর। শুক্রবার দিল্লির একিউআই পেরিয়ে গিয়েছে ৩৫০-এর কোঠা, যা ‘মারাত্মক’ তালিকাভুক্ত। দোসর হয়েছে কনকনে ঠান্ডা, চলছে শৈত্যপ্রবাহ। ঠান্ডা আর দূষণে নাভিশ্বাস রাজধানীর মানুষের। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি এনসিআর জুড়ে লাগু হল গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP)- এর অধীনে তৃতীয় স্তর তথা GRAP-III বিধিনিষেধ।

মাটি খনন, পাইলিং, পুকুর খনন, ঝালাই, রং করা, প্লাস্টারিং এবং টাইলস বা মেঝে পাতার কাজের মতো অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙার কাজে নিষেধাজ্ঞা থাকে এই ক্যাটেগরিতে। রেডি-মিক্স কংক্রিট প্ল্যান্ট, স্টোন ক্রাশার, ইটের ভাটা এবং খনি সংক্রান্ত কাজকর্মেও থাকে বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে যানবাহন সংক্রান্ত বিধিনিষেধও। বিএস-৩ পেট্রল এবং বিএস-৪ ডিজেল চালিত চার চাকার গাড়ি, অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন ডিজেল চালিত মাঝারি পণ্যবাহী যান এবং যে আন্তঃরাজ্য ডিজেল বাসগুলি বিএস-৬ মান পূরণ করে না, সেগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে। অননুমোদিত জ্বালানি ব্যবহারকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলিকেও আপাতত বিরত থাকতে হবে। ক্রমাগত বেড়ে চলা দূষণে লাগাম পরাতে এই পদক্ষেপ কিছুটা সহায়ক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির আবহাওয়া।  এর অবসান ঘটাতে ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। যদিও লাভের লাভ কিছু হয়নি। উল্টে ট্রায়াল বাবদ সরকারের প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। লাফিয়ে বেড়েছে দূষণও। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বিজেপি নেত্রী কিরণ বেদি দাবি করেন, দিল্লির ভয়াবহ পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে কোভিডকালের! পরিবেশবিদ ও ডাক্তাররাও বলছেন,  দিল্লির দূষণ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে শিশু ও বর্ষীয়ানদের জন্য। সরদি-কাশি, চোখ জ্বালাসহ নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে অনেকের। প্রশাসন জল স্প্রে করে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না।