Header AD

নিম্নচাপের আশঙ্কা থাকলেও বাংলা থেকে বর্ষার বিদায় শীঘ্রই, জাঁকিয়ে শীত পড়বে কবে?

আপাতত এ বছরের মতো বাংলা থেকে বিদায় নিতে চলেছে বর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর,  আগামী দু’দিনের মধ্যেই গোটা দেশ থেকে বিদায় নেবে বর্ষা। ধীরে ধীরে পূবালী ও দক্ষিণ পূর্বের বাতাস প্রভাব বিস্তার করবে দক্ষিণ ভারতের উপর। উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাব দেখা যাবে। সকাল ও সন্ধ্যায় বাতাসে এখন মিলছে শীতের আভাস। ইতিমধ্যেই রাতের দিকে জেলাগুলিতে শিরশিরানির অনুভূত হচ্ছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকবে।

এই মুহূর্তে কলকাতা ও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কখনও সখনও আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। জলীয় বাষ্প বেশি থাকার কারণে তাপমাত্রার খুব বেশি হেরফের হবে না। দিনের বেলা আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকতে পারে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমবে। রাতে শিশির পড়বে ও সকালের দিকে থাকবে হালকা কুয়াশা। গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নীচে রয়েছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে বা নভেম্বরের প্রথম দিকে তাপমাত্রা আরও কিছুটা নামতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, ও উত্তর ২৪ পরগনায় আগামী কয়েকদিন কুয়াশার দাপট বাড়বে। আপাতত বাংলা জুড়ে হালকা শীতের মেজাজ থাকবে। তবে বাতাসে জলীয় বাস্প থাকায় এখনই জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা কম।  বর্ষার মতো এবছর শীতের মাত্রাও অত্যাধিক হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এরই মাঝে রয়েছে দুর্যোগের চোখরাঙানি। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকার উপর রয়েছে তৈরি হয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত । আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী ২৫ অক্টোবর ভোর ৩টে নাগাদ দক্ষিণ আন্দামান সাগরের ইন্দিরা পয়েন্টের কাছে বঙ্গোপসাগরে একটি অতিশক্তিশালী নিম্নচাপ তৈরি হবে। ২৭ অক্টোবর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ওইদিন সকালে সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত তামিলনাড়ু উপকূলের কাছে পৌঁছবে। এরপর গোপালপুরের কাছে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। যদিও এখনই এই বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরলের মাহে, তামিললাড়ুর পণ্ডিচেরি এবং করাইকালে। কেরালা ও সংলগ্ন উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৫৫ কিলোমিটার হতে পারে।