Header AD

আটকে থাকা ছবি ঘিরে আইনি লড়াইয়ে ধনুশ, ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি প্রযোজনা সংস্থার

দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় তারকা ধনুশ নতুন করে আইনি বিতর্কে জড়ালেন। বহু বছর ধরে ঝুলে থাকা একটি সিনেমা নিয়ে প্রযোজনা সংস্থা থেনান্ডাল ফিল্মস তাঁর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। সংস্থার অভিযোগ, প্রকল্পটি দীর্ঘদিন শুরু না হওয়ায় তারা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। আর সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ ধনুশের কাছ থেকে ২০ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে।

প্রযোজনা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ‘নান রুদ্রন’ নামে একটি ছবির জন্য ধনুশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। এই ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার দায়িত্বও তাঁর নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে পরিকল্পনায় কিছু পরিবর্তন মেনে নেওয়া হলেও ধনুশ সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য জমা দেননি বলে অভিযোগ। ফলে শ্যুটিং শুরু করা সম্ভব হয়নি এবং ছবিটি বছরের পর বছর ধরে আটকে থাকে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ছবিটির প্রাথমিক প্রস্তুতিতেই প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এই প্রকল্পে কাজ করার কথা ছিল নাগার্জুন আক্কিনেনি ও এস জে সূর্যর মতো তারকাদের। তাঁদের প্রস্তুতি ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার জন্যও আলাদা খরচ বহন করতে হয়েছে। কিন্তু কাজ শুরু না হওয়ায় সেই বিনিয়োগ এখন অনিশ্চিত বলেই দাবি নির্মাতাদের।

আইনি নোটিশে প্রযোজনা সংস্থার আইনজীবী এ চিদাম্বরমের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে ছবির কাজ শেষ না করেই ধনুশ অন্য ছবিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, যার জেরে এই প্রকল্প মাঝপথে থমকে যায়। নোটিশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে—নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত ধনুশের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। উল্লেখ্য, তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুবেরা’, ‘ইডলি কড়াই’ ও ‘তেরে ইশক মে’ ছবিতে। ‘তেরে ইশক মে’-তে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কৃতি শ্যানন। ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৬১.৯৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। আবার এও শোনা যাচ্ছে আভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরের সঙ্গে নাকি ভ্যালেনটাইন্স ডে’তেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন ধনুশ।